Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

এডোবি ফটোশপের ইতিহাস ও পরিচিতি জানুন

শুরুতেই জেনে নিই ফটোশপ জন্মের ইতিহাস। এখন হয়তো এমন কোন কম্পিউটার ব্যবহারকারী পাওয়া যাবে না যে এডোবি ফটোশপের নাম জানেনা। এডোবি ফটোশপ ফটো এডিটিংকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এখন অনেকেই ফটো এডিটিং বলতে ফটোশপকেই বুঝে। ফটোশপ দিয়ে এখন কি না হচ্ছে। সাদাকালো ছবি থেকে রঙীন, ছবির দাগ মোছা, ছবির কালার ঠিক করা এগুলো তো মামুলি ব্যাপার। অনেক বড় বড় শিল্পীরা এখন ছবি আকতে কিংবা ফটো ম্যানিপুলেট করতে ফটোশপ ব্যবহার করে থাকেন। আসুন ফটোশপের শুরু কবে কিংবা কাদের হাত দিয়ে এর শুরু তা নিয়ে একটু গবেষণা করা যাক>>>
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
এডোবি ফটোশপ হল এডোবি সিস্টেম ইনকর্পোরেটেড কর্তৃক নির্মিত একটি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার। এটি দিয়ে ফটো এডিটিং-এর প্রায় সবকিছুই করা যায়। বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইনারদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এই এডোবি ফটোশপ। বইয়ের কভার থেকে শুরু করে পোস্টার, বিলবোর্ড, ওয়েবসাইট এখন সব জায়গাতেই এডোবি ফটোশপের স্পর্শ পাওয়া যায়। এমনকি এখন অনেক বিখ্যাত শিল্পী ক্যানভাস হিসেবে এডোবি ফটোশপকেই ব্যবহার করে থাকেন। ফটোশপের মত ছবি এডিটিং করা যায় এমন কিছু সফটওয়্যার হচ্ছে- কোরেল ড্র, জিম্প, পিকাসা, ইউলিড ফটোইম্প্যাক্ট ইত্যাদি।
শুরুর কথা: ১৯৮৭ সালে থমাস নোল (Thomas Knoll) মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে পি.এইচ.ডি করার সময় তার ম্যাকিনটোসে একটি প্রোগ্রাম লিখেন যেটি গ্রেস্কেল ছবিকে একরঙা ছবি আকারে দেখাতে পারত। তিনি এটার নাম দেন ডিসপ্লে (Display)। তার ভাই জন নল (John Knoll) প্রোগ্রামটি দেখে এটাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ইমেজ এডিটিং প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করার জন্য থমাসকে বলেন। থমাস তার পড়ালেখা থেকে ছয়মাসের ছুটি নিয়ে ভাইয়ের সাথে কাজ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যারে রূপান্তরিত করেন এবং নাম দেন ইমেজপ্রো (Image Pro)। কিন্তু পরবর্তীতে থমাস এটাকে ফটোশপ নাম দিয়ে বার্নিস্ক্যানের (Barney scan) সাথে চুক্তি করেন এবং বার্নস্ক্যানের প্রস্তুতকৃত স্ক্যানারের সাথে সফটওয়্যারটি ফ্রী বিতরণ শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে জন নল সিলিকন ভ্যালিতে যান।
সেখানে তিনি এ্যাপলকে এবং এডোবির আর্ট ডিরেক্টর রাসেল ব্রাউন (Rusell Brown) কে তাদের সফটওয়্যারটি দেখান এবং এডোবি ফটোশপের লাইসেন্স কিনে নেয়। এরপর ১৯৯০ সালে এডোবি ফটোশপ তাদের প্রথম ভার্সন অর্থাৎ, এডোবি ফটোশপ ১.০ বের করে। তবে সেটি ছিল শুধুই ম্যাকিনটোস পিসির জন্য। এডোবি ফটোশপের পরবর্তী ভার্সন: এরপর এডোবি ফটোশপের এখন পর্যন্ত অনেক ভার্সন বের হয়েছে। আগস্ট ২০০২ পর্যন্ত এডোবি ফটোশপের ৭টি ভার্সন বের হয় এবং এদের নাম ভার্সন সংখ্যা দিয়েই প্রকাশ করা হয়। ফটোশপ ২.০ পর্যন্ত এটি শুধু ম্যাকিনটোস প্লাটফর্মই সাপোর্ট করত।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এরপর ফটোশপ ২.৫ ম্যাকওএস-এর পাশাপাশি উইন্ডোজ ভার্সনও বের করা হয়। পরবর্তীতে এডোবি ফটোশপের ৮ম ভার্সনটি বের করে এডোবি ফটোশপ সিএস (Photoshop CS) নামে। সিএস (CS)-এর পূর্ণ রূপ ক্রিয়েটিভ স্যুট (Creative Suite), যাতে শুধু ফটোশপ নয় আরও কিছু সফটওয়্যার কমমূল্যে একসাথে বিক্রয় করা শুরু করে । এডোবি সবচেয়ে নতুন এবং বেশী ফিচারসমৃদ্ধ ভার্সন হচ্ছে এডোবি ফটোশপ সিসি ২০১৫।
ফটোশপের কাজ: আগেই বলেছি ফটোশপ দিয়ে এখন অনেক কিছুই করা যায় এবং নতুন ভার্সনে আরও নতুন ফিচার ফটোশপকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ফটোশপ দিয়ে মূলত-
• বিভিন্ন ধরনের পিকচার ডিজাইন করা,
• ওয়েবপেজ তৈরী,
• বিজ্ঞাপন, পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদি সুন্দর করে বানানো যায়,
• প্রকাশন,
• মাল্টিমিডিয়া,
• অনলাইনে গ্রাফিক্স তৈরী,
• মাল্টিমিডিয়া, ওয়েবপেজ ডিজাইন এর কাজের জন্য এটি খুব প্রয়োজন।
উপরিক্ত কাজগুলো করা হয়। আর বর্তমান যুগে এই কাজগুলোর চাহিদা খুবই বেশি। এছাড়াও গ্রাফিক ডিজাইন যার পেশা, অথাৎ চাকরী করেন ডিজাইনার হিসেবে কিংবা অর্থ উপার্জনের জন্য নিজে কাজ করেন তারা ফটোশপ ব্যবহার করেন বিজ্ঞাপন, লিফলেট, পত্রিকা, বইয়ের প্রচ্ছদ, পোষ্টার থেকে শুরু করে সব ধরনের ডিজাইনের কাজে। যা কিছু ছাপা হয়, যা কিছু টিভিতে দেখানো হয়, যা কিছু ইন্টারনেটে রাখা হয় সব যায়গায় রয়েছে ফটোশপে কাজের সুযোগ।
যারা ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশনের কাজ করেন তাদেরও ছবির কাজ করতে হয় এখানেই। 3D মডেলের ওপর ব্যবহারের জন্য ম্যাটেরিয়াল থেকে শুরু করে থ্রিডি পেইন্টিং, স্পেশাল ইফেক্ট সবকাজ করা যায় ফটোশপে। অথবা বিয়ে-জন্মদিন-ঈদ-বড়দিন-পুজায় কাউকে নিজের তৈরী কার্ড দিতে চান। সেখানে নিজের কিংবা প্রিয় কারো ছবি, অথবা নিজের উঠানো একটা ফুলের ছবি বসিয়ে দিতে চান। এ কাজটিও করে নিতে পারেন সবার সেরা সফটওয়্যারে।
আজকের মতো এ পর্যন্তই। আশা করি আমার লেখনিটি আপনাদের অনেক কাজে লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

এডোবি ফটোশপের ইতিহাস ও পরিচিতি জানুন

শুরুতেই জেনে নিই ফটোশপ জন্মের ইতিহাস। এখন হয়তো এমন কোন কম্পিউটার ব্যবহারকারী পাওয়া যাবে না যে এডোবি ফটোশপের নাম জানেনা। এডোবি ফটোশপ ফটো এডিটিংকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এখন অনেকেই ফটো এডিটিং বলতে ফটোশপকেই বুঝে। ফটোশপ দিয়ে এখন কি না হচ্ছে। সাদাকালো ছবি থেকে রঙীন, ছবির দাগ মোছা, ছবির কালার ঠিক করা এগুলো তো মামুলি ব্যাপার। অনেক বড় বড় শিল্পীরা এখন ছবি আকতে কিংবা ফটো ম্যানিপুলেট করতে ফটোশপ ব্যবহার করে থাকেন। আসুন ফটোশপের শুরু কবে কিংবা কাদের হাত দিয়ে এর শুরু তা নিয়ে একটু গবেষণা করা যাক>>>
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
এডোবি ফটোশপ হল এডোবি সিস্টেম ইনকর্পোরেটেড কর্তৃক নির্মিত একটি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার। এটি দিয়ে ফটো এডিটিং-এর প্রায় সবকিছুই করা যায়। বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইনারদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এই এডোবি ফটোশপ। বইয়ের কভার থেকে শুরু করে পোস্টার, বিলবোর্ড, ওয়েবসাইট এখন সব জায়গাতেই এডোবি ফটোশপের স্পর্শ পাওয়া যায়। এমনকি এখন অনেক বিখ্যাত শিল্পী ক্যানভাস হিসেবে এডোবি ফটোশপকেই ব্যবহার করে থাকেন। ফটোশপের মত ছবি এডিটিং করা যায় এমন কিছু সফটওয়্যার হচ্ছে- কোরেল ড্র, জিম্প, পিকাসা, ইউলিড ফটোইম্প্যাক্ট ইত্যাদি।
শুরুর কথা: ১৯৮৭ সালে থমাস নোল (Thomas Knoll) মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে পি.এইচ.ডি করার সময় তার ম্যাকিনটোসে একটি প্রোগ্রাম লিখেন যেটি গ্রেস্কেল ছবিকে একরঙা ছবি আকারে দেখাতে পারত। তিনি এটার নাম দেন ডিসপ্লে (Display)। তার ভাই জন নল (John Knoll) প্রোগ্রামটি দেখে এটাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ইমেজ এডিটিং প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করার জন্য থমাসকে বলেন। থমাস তার পড়ালেখা থেকে ছয়মাসের ছুটি নিয়ে ভাইয়ের সাথে কাজ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যারে রূপান্তরিত করেন এবং নাম দেন ইমেজপ্রো (Image Pro)। কিন্তু পরবর্তীতে থমাস এটাকে ফটোশপ নাম দিয়ে বার্নিস্ক্যানের (Barney scan) সাথে চুক্তি করেন এবং বার্নস্ক্যানের প্রস্তুতকৃত স্ক্যানারের সাথে সফটওয়্যারটি ফ্রী বিতরণ শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে জন নল সিলিকন ভ্যালিতে যান।
সেখানে তিনি এ্যাপলকে এবং এডোবির আর্ট ডিরেক্টর রাসেল ব্রাউন (Rusell Brown) কে তাদের সফটওয়্যারটি দেখান এবং এডোবি ফটোশপের লাইসেন্স কিনে নেয়। এরপর ১৯৯০ সালে এডোবি ফটোশপ তাদের প্রথম ভার্সন অর্থাৎ, এডোবি ফটোশপ ১.০ বের করে। তবে সেটি ছিল শুধুই ম্যাকিনটোস পিসির জন্য। এডোবি ফটোশপের পরবর্তী ভার্সন: এরপর এডোবি ফটোশপের এখন পর্যন্ত অনেক ভার্সন বের হয়েছে। আগস্ট ২০০২ পর্যন্ত এডোবি ফটোশপের ৭টি ভার্সন বের হয় এবং এদের নাম ভার্সন সংখ্যা দিয়েই প্রকাশ করা হয়। ফটোশপ ২.০ পর্যন্ত এটি শুধু ম্যাকিনটোস প্লাটফর্মই সাপোর্ট করত।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এরপর ফটোশপ ২.৫ ম্যাকওএস-এর পাশাপাশি উইন্ডোজ ভার্সনও বের করা হয়। পরবর্তীতে এডোবি ফটোশপের ৮ম ভার্সনটি বের করে এডোবি ফটোশপ সিএস (Photoshop CS) নামে। সিএস (CS)-এর পূর্ণ রূপ ক্রিয়েটিভ স্যুট (Creative Suite), যাতে শুধু ফটোশপ নয় আরও কিছু সফটওয়্যার কমমূল্যে একসাথে বিক্রয় করা শুরু করে । এডোবি সবচেয়ে নতুন এবং বেশী ফিচারসমৃদ্ধ ভার্সন হচ্ছে এডোবি ফটোশপ সিসি ২০১৫।
ফটোশপের কাজ: আগেই বলেছি ফটোশপ দিয়ে এখন অনেক কিছুই করা যায় এবং নতুন ভার্সনে আরও নতুন ফিচার ফটোশপকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ফটোশপ দিয়ে মূলত-
• বিভিন্ন ধরনের পিকচার ডিজাইন করা,
• ওয়েবপেজ তৈরী,
• বিজ্ঞাপন, পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদি সুন্দর করে বানানো যায়,
• প্রকাশন,
• মাল্টিমিডিয়া,
• অনলাইনে গ্রাফিক্স তৈরী,
• মাল্টিমিডিয়া, ওয়েবপেজ ডিজাইন এর কাজের জন্য এটি খুব প্রয়োজন।
উপরিক্ত কাজগুলো করা হয়। আর বর্তমান যুগে এই কাজগুলোর চাহিদা খুবই বেশি। এছাড়াও গ্রাফিক ডিজাইন যার পেশা, অথাৎ চাকরী করেন ডিজাইনার হিসেবে কিংবা অর্থ উপার্জনের জন্য নিজে কাজ করেন তারা ফটোশপ ব্যবহার করেন বিজ্ঞাপন, লিফলেট, পত্রিকা, বইয়ের প্রচ্ছদ, পোষ্টার থেকে শুরু করে সব ধরনের ডিজাইনের কাজে। যা কিছু ছাপা হয়, যা কিছু টিভিতে দেখানো হয়, যা কিছু ইন্টারনেটে রাখা হয় সব যায়গায় রয়েছে ফটোশপে কাজের সুযোগ।
যারা ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশনের কাজ করেন তাদেরও ছবির কাজ করতে হয় এখানেই। 3D মডেলের ওপর ব্যবহারের জন্য ম্যাটেরিয়াল থেকে শুরু করে থ্রিডি পেইন্টিং, স্পেশাল ইফেক্ট সবকাজ করা যায় ফটোশপে। অথবা বিয়ে-জন্মদিন-ঈদ-বড়দিন-পুজায় কাউকে নিজের তৈরী কার্ড দিতে চান। সেখানে নিজের কিংবা প্রিয় কারো ছবি, অথবা নিজের উঠানো একটা ফুলের ছবি বসিয়ে দিতে চান। এ কাজটিও করে নিতে পারেন সবার সেরা সফটওয়্যারে।
আজকের মতো এ পর্যন্তই। আশা করি আমার লেখনিটি আপনাদের অনেক কাজে লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।

আপনার মতামত লিখুনঃ