Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

আপওয়ার্ক কভার লেটার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আপওয়ার্ক বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে নতুন জবের জন্য এপ্লাই করার সময় কভার লেটার সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করে। একটি সুন্দর, ছোট এবং মার্জিত কভার লেটার কখনো কখনো জব পেতে ৯০% পর্যন্ত সাহায্য করতে পারে। আর কেউ কেউ কভার লেটার লেখার সময় সাধারণ কিছু ভুল করে থাকে। যার ফলে প্রথমেই তারা রিজেক্ট হয়ে যান এবং পরবর্তীতে হতাশ হয়ে পরেন। কিন্তু আপনাদের এই হতাশতা দূর করার জন্য আপনাদের জন্য আপওয়ার্ক-এর কভার লেটার নিয়ে কিছু কথা তুলে ধরছি। আপনাকে একটি কভার লেটার লেখার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমেই জব পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন। বুঝতে চেষ্টা করুন ক্লায়েন্ট কি চেয়েছে এবং তার জব এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় ক্লায়েন্ট অবগত নন বা কি কি ভুল রয়েছে এবং প্রয়োজনে কভার লেটার লেখার আগেই একাধিক বার পোস্টটি পড়ে নিন।
এবার কভার লেটার লেখার সময় প্রথমেই তার নাম জানা থাকলে তার নাম উল্লেখ করে সম্বোধন করুন। যেমন “Dear Mr. Rick” or “Mr. Mark” ইত্যাদি। নাম জানা না থাকলে “Dear Hiring Manager,” ব্যবহার করতে পারেন।
এরপরের লাইনেই তার প্রোজেক্ট এর ব্যাপারে তার যে সকল সমস্যা হচ্ছে তা নিয়ে ছোট একটি প্যারাগ্রাফ লিখুন। যেমন ধরুন তার প্রোজেক্ট পোস্ট এর ভুল সমূহ, প্রোজেক্ট এর সফলতা অর্জনের পদক্ষেপ ইত্যাদি। তবে যতটা সম্ভব ছোট করে কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্যসমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন। আর এখানে প্রোজেক্টটি কিভাবে সম্পূর্ণ করলে সবচেয়ে ভালো হতে পারে তাও উল্লেখ করতে পারেন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এরপর আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এখানেও আপনাকে অল্প কথায় যতটা সম্ভব বেশি বর্ণনা দিতে হবে।
এবার সর্বশেষ প্যারাগ্রাফ-এ আপনি কিভাবে তার কাজটি শেষ করবেন তা নিয়ে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এক্ষেত্রে প্রধানত সংক্ষেপে আপনার কাজের ধাপ উল্লেখ করবেন। ক্লায়েন্ট কিন্তু অবশ্যই কাজের ধাপগুলো কি হতে পারে তা জানে। তাই এক্ষেত্রে যদি আপনার কাজের ধাপ তার জানার সাথে মিলে যায়, কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যাবে। তবে কিছু কিছু ব্যাপার এখানে বলা ঠিক না। প্রধানত প্রতিটা কাজেই কিছু ব্যাপার থাকে যা সাধারণত ট্রিকস হিসেবেই আমরা বলি। আর এই ট্রিকসগুলো বেশিরভাগ সময় কাজ পাওয়ার কারণ হয়ে দাড়ায়। উদাহারণস্বরূপ বলা যায় যে, ক্লায়েন্ট সেই এক বা একাধিক ব্যাপার জানেনা বলেই সে কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে, যিনি তার কাজটি করে দিবে। এক্ষেত্রে আপনি সেই ব্যাপারটি বলে দিলে অবশ্যই আপনি কাজটা হারাতে পারেন। কারণ সে নিজেই এখন কাজটি করে ফেলতে পারবে। আর কাজটি করতে কতো সময় লাগতে পারে তার ব্যাপারেও এখানে বলতে পারেন। আর সবসময়েই চেষ্টা করবেন এক্সট্রা টাইম সহ সঠিক টাইম বলতে। যে সময়ের ভিতর আপনি শেষ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিজের বিবেক বুদ্ধিটা কাজে লাগাতে হবে।
সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে পরের স্টেপ এ চলে আসুন। অনেক সময়েই দেখবেন এখানে ক্লায়েন্ট বেশ কিছু প্রশ্ন করে থাকে। চেষ্টা করুন সেখানে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেয়ার জন্য। আর কোনমতেই উত্তর বক্সটি শুন্য রাখবেন না। আর এখানে মিথ্যে বলাটা একটা বড় ভুল। ক্লায়েন্ট এখানের উত্তর অনুযায়ী আপনাকে ইন্টারভিউ নেয়ার সময় প্রশ্ন করতেই পারে এবং তখন হয়তবা আপনি আটকেও যেতে পারেন।
সবসময়েই চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব ছোট করে কভার লেটার লিখতে। কেননা ক্লায়েন্ট কোন গল্প পড়তে আসেনি। যত বড় করবেন তার জন্য ততই বিরক্তির কারণ হতে পারে। যার কারণে বেশীরভাগ ক্লায়েন্ট সাধারণত বড় কভার লেটারগুলো এড়িয়ে যান। আর ক্লায়েন্ট না চাইলে লিংক/ফাইল ইত্যাদি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। ক্লাইন্টের সেইটা যদি প্রয়োজন হতো তাহলে জব পোস্টের সময়েই তা উল্লেখ করত। অনেক সময় ক্লায়েন্ট বলেই দিবে লিংক বা ফাইল যুক্ত না করার জন্য। সেক্ষেত্রে আরো আপনাকে এক্সট্রা সতর্ক থাকা ভালো। কারণ আপনি তাও ফাইল বা লিংক যুক্ত করলে ক্লায়েন্ট ধরেই নিবে আপনি জব পোস্ট পড়েননি।
সবসময়েই মার্জিত ভাষায় কভার লেটার লিখবেন। কপি পেস্ট কখনই না। আসলে এটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। কেননা ক্লায়েন্ট তা সহজেই ধরতে পারবে। আর কপি পেস্ট কভার লেটার সবচেয়ে বেশী রিজেক্ট হয় সাধারণত। এক্ষত্রে ক্লায়েন্ট ধরে নিতে পারে যেহেতু আপনার একটি ছোট কভার লেটার লিখার মতো দুই মিনিট সময় নেই সেহেতু আপনার অবশ্যই কাজ করার সময়টিও নেই। তাছাড়া কপি পেস্ট করা কভার লেটার ব্যবহার করে কাজের ব্যাপারে ঠিকভাবে ক্লায়েন্টকে বলা যায় না এবং তাতে ক্লায়েন্টের মনে হতে পারে আপনি জব পোস্ট না পড়েই আবেদন করেছেন। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়াটাইতো অস্বাভাবিক কিছু নয়।
অনেক সময় কিছু কিছু জবের ক্ষেত্রে আরো সংক্ষেপে কভার লেটার লিখতে হয়। বিশেষ করে যখন ক্লায়েন্ট জব ডেসক্রিপশনে বলেই দেয় যে সে এখনই কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে সময় থাকে কম এবং ক্লায়েন্টও দ্রুত কভার লেটার পড়ে দেখতে চায়। তাই যতো সংক্ষেপে বিস্তারিত বলা যায় ততোই হায়ার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
আশা করি আপনি যদি উক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপওয়ার্কে কাজ করে যান, তাহলে একদিন অবশ্যই সফলতার মুখ দেখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌। আজকের মতো এখানেই ইতি টানছি। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, হাসিখুশি থাকুন। আসসালামুআলাইকুম।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

আপওয়ার্ক কভার লেটার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আপওয়ার্ক বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে নতুন জবের জন্য এপ্লাই করার সময় কভার লেটার সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করে। একটি সুন্দর, ছোট এবং মার্জিত কভার লেটার কখনো কখনো জব পেতে ৯০% পর্যন্ত সাহায্য করতে পারে। আর কেউ কেউ কভার লেটার লেখার সময় সাধারণ কিছু ভুল করে থাকে। যার ফলে প্রথমেই তারা রিজেক্ট হয়ে যান এবং পরবর্তীতে হতাশ হয়ে পরেন। কিন্তু আপনাদের এই হতাশতা দূর করার জন্য আপনাদের জন্য আপওয়ার্ক-এর কভার লেটার নিয়ে কিছু কথা তুলে ধরছি। আপনাকে একটি কভার লেটার লেখার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমেই জব পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন। বুঝতে চেষ্টা করুন ক্লায়েন্ট কি চেয়েছে এবং তার জব এর ক্ষেত্রে কি কি বিষয় ক্লায়েন্ট অবগত নন বা কি কি ভুল রয়েছে এবং প্রয়োজনে কভার লেটার লেখার আগেই একাধিক বার পোস্টটি পড়ে নিন।
এবার কভার লেটার লেখার সময় প্রথমেই তার নাম জানা থাকলে তার নাম উল্লেখ করে সম্বোধন করুন। যেমন “Dear Mr. Rick” or “Mr. Mark” ইত্যাদি। নাম জানা না থাকলে “Dear Hiring Manager,” ব্যবহার করতে পারেন।
এরপরের লাইনেই তার প্রোজেক্ট এর ব্যাপারে তার যে সকল সমস্যা হচ্ছে তা নিয়ে ছোট একটি প্যারাগ্রাফ লিখুন। যেমন ধরুন তার প্রোজেক্ট পোস্ট এর ভুল সমূহ, প্রোজেক্ট এর সফলতা অর্জনের পদক্ষেপ ইত্যাদি। তবে যতটা সম্ভব ছোট করে কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্যসমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন। আর এখানে প্রোজেক্টটি কিভাবে সম্পূর্ণ করলে সবচেয়ে ভালো হতে পারে তাও উল্লেখ করতে পারেন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এরপর আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এখানেও আপনাকে অল্প কথায় যতটা সম্ভব বেশি বর্ণনা দিতে হবে।
এবার সর্বশেষ প্যারাগ্রাফ-এ আপনি কিভাবে তার কাজটি শেষ করবেন তা নিয়ে একটি ছোট প্যারাগ্রাফ লিখুন। এক্ষেত্রে প্রধানত সংক্ষেপে আপনার কাজের ধাপ উল্লেখ করবেন। ক্লায়েন্ট কিন্তু অবশ্যই কাজের ধাপগুলো কি হতে পারে তা জানে। তাই এক্ষেত্রে যদি আপনার কাজের ধাপ তার জানার সাথে মিলে যায়, কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যাবে। তবে কিছু কিছু ব্যাপার এখানে বলা ঠিক না। প্রধানত প্রতিটা কাজেই কিছু ব্যাপার থাকে যা সাধারণত ট্রিকস হিসেবেই আমরা বলি। আর এই ট্রিকসগুলো বেশিরভাগ সময় কাজ পাওয়ার কারণ হয়ে দাড়ায়। উদাহারণস্বরূপ বলা যায় যে, ক্লায়েন্ট সেই এক বা একাধিক ব্যাপার জানেনা বলেই সে কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে, যিনি তার কাজটি করে দিবে। এক্ষেত্রে আপনি সেই ব্যাপারটি বলে দিলে অবশ্যই আপনি কাজটা হারাতে পারেন। কারণ সে নিজেই এখন কাজটি করে ফেলতে পারবে। আর কাজটি করতে কতো সময় লাগতে পারে তার ব্যাপারেও এখানে বলতে পারেন। আর সবসময়েই চেষ্টা করবেন এক্সট্রা টাইম সহ সঠিক টাইম বলতে। যে সময়ের ভিতর আপনি শেষ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিজের বিবেক বুদ্ধিটা কাজে লাগাতে হবে।
সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে পরের স্টেপ এ চলে আসুন। অনেক সময়েই দেখবেন এখানে ক্লায়েন্ট বেশ কিছু প্রশ্ন করে থাকে। চেষ্টা করুন সেখানে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেয়ার জন্য। আর কোনমতেই উত্তর বক্সটি শুন্য রাখবেন না। আর এখানে মিথ্যে বলাটা একটা বড় ভুল। ক্লায়েন্ট এখানের উত্তর অনুযায়ী আপনাকে ইন্টারভিউ নেয়ার সময় প্রশ্ন করতেই পারে এবং তখন হয়তবা আপনি আটকেও যেতে পারেন।
সবসময়েই চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব ছোট করে কভার লেটার লিখতে। কেননা ক্লায়েন্ট কোন গল্প পড়তে আসেনি। যত বড় করবেন তার জন্য ততই বিরক্তির কারণ হতে পারে। যার কারণে বেশীরভাগ ক্লায়েন্ট সাধারণত বড় কভার লেটারগুলো এড়িয়ে যান। আর ক্লায়েন্ট না চাইলে লিংক/ফাইল ইত্যাদি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। ক্লাইন্টের সেইটা যদি প্রয়োজন হতো তাহলে জব পোস্টের সময়েই তা উল্লেখ করত। অনেক সময় ক্লায়েন্ট বলেই দিবে লিংক বা ফাইল যুক্ত না করার জন্য। সেক্ষেত্রে আরো আপনাকে এক্সট্রা সতর্ক থাকা ভালো। কারণ আপনি তাও ফাইল বা লিংক যুক্ত করলে ক্লায়েন্ট ধরেই নিবে আপনি জব পোস্ট পড়েননি।
সবসময়েই মার্জিত ভাষায় কভার লেটার লিখবেন। কপি পেস্ট কখনই না। আসলে এটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। কেননা ক্লায়েন্ট তা সহজেই ধরতে পারবে। আর কপি পেস্ট কভার লেটার সবচেয়ে বেশী রিজেক্ট হয় সাধারণত। এক্ষত্রে ক্লায়েন্ট ধরে নিতে পারে যেহেতু আপনার একটি ছোট কভার লেটার লিখার মতো দুই মিনিট সময় নেই সেহেতু আপনার অবশ্যই কাজ করার সময়টিও নেই। তাছাড়া কপি পেস্ট করা কভার লেটার ব্যবহার করে কাজের ব্যাপারে ঠিকভাবে ক্লায়েন্টকে বলা যায় না এবং তাতে ক্লায়েন্টের মনে হতে পারে আপনি জব পোস্ট না পড়েই আবেদন করেছেন। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়াটাইতো অস্বাভাবিক কিছু নয়।
অনেক সময় কিছু কিছু জবের ক্ষেত্রে আরো সংক্ষেপে কভার লেটার লিখতে হয়। বিশেষ করে যখন ক্লায়েন্ট জব ডেসক্রিপশনে বলেই দেয় যে সে এখনই কাউকে হায়ার করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে সময় থাকে কম এবং ক্লায়েন্টও দ্রুত কভার লেটার পড়ে দেখতে চায়। তাই যতো সংক্ষেপে বিস্তারিত বলা যায় ততোই হায়ার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
আশা করি আপনি যদি উক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপওয়ার্কে কাজ করে যান, তাহলে একদিন অবশ্যই সফলতার মুখ দেখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌। আজকের মতো এখানেই ইতি টানছি। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, হাসিখুশি থাকুন। আসসালামুআলাইকুম।

আপনার মতামত লিখুনঃ