Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ফ্রিল্যান্সার পেশা হলো বর্তমান যুগের সবচেয়ে স্মার্ট পেশা। এই পেশার অন্য নাম হলো মুক্তপেশা। অনে ফ্রিল্যান্সার আছেন যারা সাফল হতে না পেরে মাঝ পথ থেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু তারা হয়তো যানেন না যে এই পেশার মুল মন্ত্র হলো ধৈর্য ও ইচ্ছাশক্তি। যদি এই জিনিসটা আপনার ভিতরে যদি না থাকে তাহলে এই পেশা আপনার জন্য নয়। চলুন আমরা জেনে নেই একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আমাদের কি কি করতে হবেঃ
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
>কাজের প্রথম দিকেই কেউ সফল হতে পারেনা। এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক বার ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে।

>আপনাকে শুধু একটা মার্কেটপ্লেস নিয়ে বসে থাকলে চলবেনা। এজন্য আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করে কাজ করতে হবে।

>এই কাজ কাজ করে অল্প কিছু দিনের ভিতরে বেশি টাকা ইনকাম করার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।

>ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আপনার প্রচুর আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। শুরুতেই কাজ না পেয়ে যদি আপনি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন তাহলে কখনোই আপনি সফল্কাম হতে পারবেননা।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
>যে কোনো মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খোলার পরে আপনি যদি কাজ না পেয়ে থাকেন তাহলে ঘাবরিয়ে না গিয়ে কাজ করা অবিরত রাখুন এবং বার বার বিড করে যান।

>আপনি কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে যে যে বিড করবেন সেই বিড যেনো গ্রহনযোগ্য হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

>আপনার কাজের দক্ষতার ওপরে আপনার কাজের রেট নির্ধারণ করুন।

>ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আপনার টাকার থেকে ফীডব্যাকের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই আপনাকে ভালো ফীডব্যাকের আশায়ও কাজ করতে হবে।
>কাজের জন্য বিড করার সময় আপনার কভারলেটার আকর্ষণীয় করে লিখবেন। এর সাথে আপনি যে কাজটি করতে ইচ্ছুক সেটাও যেনো বোঝা যায়।

>একটি কভারলেটার বার বার কপি করে কাজ করবেন না।এতে করে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে অনেকটা।

>সাধারণত কাজ পাওয়ার মুখ্য সময় গভীর রাত অর্থাৎ রাত ১টা থেকে ৪টা এই সময়ে কাজ বেশি পোস্ট হয়, তাই এই সময় এপ্লাই করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্য সময় এপ্লাই করতে গেলে দেখবেন আপনি এপ্লাই করার আগেই অনেকজন এপ্লাই করে ফেলেছে, এর মধ্যে হায়ার হয়েছে কয়েকজন আর ইন্টারভিউতে কল পেয়েছে আরো কয়েকজন, আর তাই সেখানে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অতি নগন্য।

>সব সময় পেমেন্টমেথড ভেরিফাইড ক্লায়েন্ট দেখে কাজ করবেন।
>আপনার যদি বড়ো মার্কেটপ্লেস সুবিধাজনক মনে না হয় সে ক্ষেত্রে আপনি Micro workers এর মত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে গুলোতে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং এখানে কাজ করুন।

>কমিউনিটি এবং ফোরাম গুলোতে থেকে বেশি বেশি আর্টিকেল পড়ুন। শুধু ফ্রিল্যান্সার দের জন্য লেখা আর্টিকেলেই সীমাবদ্ধ না থেকে, ক্লায়েন্টদের জন্য লেখা আর্টিকেল গুলোও পড়ুন। এতে ক্লায়েন্টরা কিভাবে চিন্তা করে সে ব্যাপারেও আপনি বেশ ভালো একটি ধারণা পাবেন। এর ফলে, আপনিও তাদের সাথে কাজে নামার আগে তাদের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পাবেন।

>নিজেকে যেকোনো কাজ করার মতো প্রস্তুত রাখুন।

সর্বশেষে আমি যেটা পরামর্শ আপনাদের দিব সেটা হলো আপনার ব্রেইনকে বিশ্রাম দিন। চলুন জেনে নেই আপনার ব্রেইনকে কিভাবে বিশ্রাম দিবেন? একটানা কাজ করার ফলে কাজে একঘেয়ে ভাব আসতে পারে। এতে অনেক সময়, কাজের প্রতি অনীহাও চলে আসে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর সামান্য বিরতি নিন। কিবোর্ড ছেড়ে কিছুটা সময় বিশ্রাম করুন। এতে করে আপনার মস্তিষ্ক রিফ্রেশ হবে। পাশাপাশি আপনার কাজ করার শক্তিও ফিরে পাবেন।
মনে রাখবেন, সাফল্য অর্জন করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়! ধৈর্যের সাথে লেগে থাকুন। স্মার্টভাবে কাজ করে যান। সাফল্য আসবেই ইনশাআল্লাহ্‌

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ফ্রিল্যান্সার পেশা হলো বর্তমান যুগের সবচেয়ে স্মার্ট পেশা। এই পেশার অন্য নাম হলো মুক্তপেশা। অনে ফ্রিল্যান্সার আছেন যারা সাফল হতে না পেরে মাঝ পথ থেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু তারা হয়তো যানেন না যে এই পেশার মুল মন্ত্র হলো ধৈর্য ও ইচ্ছাশক্তি। যদি এই জিনিসটা আপনার ভিতরে যদি না থাকে তাহলে এই পেশা আপনার জন্য নয়। চলুন আমরা জেনে নেই একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আমাদের কি কি করতে হবেঃ
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
>কাজের প্রথম দিকেই কেউ সফল হতে পারেনা। এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক বার ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে।

>আপনাকে শুধু একটা মার্কেটপ্লেস নিয়ে বসে থাকলে চলবেনা। এজন্য আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করে কাজ করতে হবে।

>এই কাজ কাজ করে অল্প কিছু দিনের ভিতরে বেশি টাকা ইনকাম করার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।

>ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আপনার প্রচুর আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। শুরুতেই কাজ না পেয়ে যদি আপনি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন তাহলে কখনোই আপনি সফল্কাম হতে পারবেননা।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
>যে কোনো মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খোলার পরে আপনি যদি কাজ না পেয়ে থাকেন তাহলে ঘাবরিয়ে না গিয়ে কাজ করা অবিরত রাখুন এবং বার বার বিড করে যান।

>আপনি কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে যে যে বিড করবেন সেই বিড যেনো গ্রহনযোগ্য হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

>আপনার কাজের দক্ষতার ওপরে আপনার কাজের রেট নির্ধারণ করুন।

>ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আপনার টাকার থেকে ফীডব্যাকের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই আপনাকে ভালো ফীডব্যাকের আশায়ও কাজ করতে হবে।
>কাজের জন্য বিড করার সময় আপনার কভারলেটার আকর্ষণীয় করে লিখবেন। এর সাথে আপনি যে কাজটি করতে ইচ্ছুক সেটাও যেনো বোঝা যায়।

>একটি কভারলেটার বার বার কপি করে কাজ করবেন না।এতে করে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে অনেকটা।

>সাধারণত কাজ পাওয়ার মুখ্য সময় গভীর রাত অর্থাৎ রাত ১টা থেকে ৪টা এই সময়ে কাজ বেশি পোস্ট হয়, তাই এই সময় এপ্লাই করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্য সময় এপ্লাই করতে গেলে দেখবেন আপনি এপ্লাই করার আগেই অনেকজন এপ্লাই করে ফেলেছে, এর মধ্যে হায়ার হয়েছে কয়েকজন আর ইন্টারভিউতে কল পেয়েছে আরো কয়েকজন, আর তাই সেখানে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অতি নগন্য।

>সব সময় পেমেন্টমেথড ভেরিফাইড ক্লায়েন্ট দেখে কাজ করবেন।
>আপনার যদি বড়ো মার্কেটপ্লেস সুবিধাজনক মনে না হয় সে ক্ষেত্রে আপনি Micro workers এর মত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে গুলোতে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং এখানে কাজ করুন।

>কমিউনিটি এবং ফোরাম গুলোতে থেকে বেশি বেশি আর্টিকেল পড়ুন। শুধু ফ্রিল্যান্সার দের জন্য লেখা আর্টিকেলেই সীমাবদ্ধ না থেকে, ক্লায়েন্টদের জন্য লেখা আর্টিকেল গুলোও পড়ুন। এতে ক্লায়েন্টরা কিভাবে চিন্তা করে সে ব্যাপারেও আপনি বেশ ভালো একটি ধারণা পাবেন। এর ফলে, আপনিও তাদের সাথে কাজে নামার আগে তাদের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পাবেন।

>নিজেকে যেকোনো কাজ করার মতো প্রস্তুত রাখুন।

সর্বশেষে আমি যেটা পরামর্শ আপনাদের দিব সেটা হলো আপনার ব্রেইনকে বিশ্রাম দিন। চলুন জেনে নেই আপনার ব্রেইনকে কিভাবে বিশ্রাম দিবেন? একটানা কাজ করার ফলে কাজে একঘেয়ে ভাব আসতে পারে। এতে অনেক সময়, কাজের প্রতি অনীহাও চলে আসে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর সামান্য বিরতি নিন। কিবোর্ড ছেড়ে কিছুটা সময় বিশ্রাম করুন। এতে করে আপনার মস্তিষ্ক রিফ্রেশ হবে। পাশাপাশি আপনার কাজ করার শক্তিও ফিরে পাবেন।
মনে রাখবেন, সাফল্য অর্জন করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়! ধৈর্যের সাথে লেগে থাকুন। স্মার্টভাবে কাজ করে যান। সাফল্য আসবেই ইনশাআল্লাহ্‌

আপনার মতামত লিখুনঃ