Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

ফাইভারে গিগ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফাইভার নিয়ে কাজ করছেন। আর যারা ফাইভার নিয়ে কাজ করছেন তাদের জন্য গিগ শব্দটা অতি পরিচিত একটা শব্দ। আমরা আজকে জানবো আসলে গিগ কি, গিগ কেমন করে তৈরি করা হয়, গিগ কেনো তৈরি করা হয়। তো চলুন শুরু করা যাক।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে আলোচনা করা যাক যে, গিগ কি?
গিগঃ গিগ হলো এক ধরনের সার্ভিসের নাম। অর্থাৎ আপনি ফাইভারে যে বিষয় নিয়ে কাজ করবেন সেই কাজকে পোস্ট আকারে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে ছাড়াকে গিগ বলে। আপনার গিগকে প্রাথমিক ভাবে ফাইভার ৫ ডলার দিয়ে বায়ারদের কাছে বিক্রি করে যাচ্ছে। সে জন্য গিগ তৈরি করার সময় আপনাকে দেওয়া শর্ত অনুসারে কাজ করতে হবে। যেমন ধরুন আপনি আপনার গিগে যদি সময়ের কথা উল্লেখ করে থাকেন, মানে যদি বলে থাকেন যে আমি ৫ দিনের ভিতরে কাজ সম্পুন্ন করে দিবো তাহলে সেই কাজটা আপনাকে ৪ দিনের ভিতরে শেষ করতে হবে। কারন ৫ দিনের মধ্যে আপনাকে কাজ কমপ্লিট করে দিতে তো হবেই উপরন্তু আপনার কাজের কোনো ভুল হলে সেটাও উক্ত ৫ দিনের মধ্যেই শুধরে নিতে হবে।
সে জন্য ৪ দিনে কাজ কাজটা সম্পুন্ন করে ক্লায়েন্টকে নক করে কাজের নমুনা দেখালে ক্লায়েন্ট আপনাকে বলে দিবে যে আপনার কাজটা ঠিক হয়েছে কি না। আপনার কাজে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সেইটাও আপনার বায়ার আপনাকে বলে দিবে। আর আপনাকে সেই অনুযায়ী কাজ করে দিতে হবে। ফলে আপনার কাজ ডেলিভারি করার পড়ে আপনাকে আর কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না এবং আপনার পারিশ্রমিক ও আপনি ঠিকভাবে পেয়ে যাবেন।
আমরা কেউ কেউ সঠিক উপায়ে বা ভালো ভাবে গিগ তৈরি করতে পারিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমরা কেমনভাবে একটি গিগ তৈরি করে নিতে পারবো।

আমরা কেউ কেউ সঠিক উপায়ে বা ভালো ভাবে গিগ তৈরি করতে পারিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমরা কেমনভাবে একটি গিগ তৈরি করে নিতে পারবো।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
কেমন করে গিগ তৈরি করবো? গিগ তৈরি করার সময় আমাদের কিছু কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আসলে আমরা অনেকেই জানি যে টাইটেল হচ্ছে গিগের মুল অংশ। আর এটা একজন বায়ারের কাছেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যদি টাইটেল না ব্যবহার করেন তাহলে বায়ার আপনার গিগ খুঁজে পাবেনা। আর আপনাকে এমন একটি টাইটেল ব্যবহার করতে হবে যেনো টাইটেলটা দেখেই ভিজিটর আপনার গিগ ভিজিট করে দেখে। তার পরের বিষয় নিয়ে যদি আমি কথা বলি তাহলে বলবো গিগে আপনি আপনার সেরা ৮-১০টি ডিজাইন দিয়ে গিগ তৈরী করবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ভালো মানের গিগ তৈরি করা শিখতে হবে। সেজন্য আপনি ভালো রকমের ডিজাইনারের প্রোফাইল ঘুরে দেখতে পারেন। এছাড়া আপনি Graphic School BD এর ফাইভার স্পেশাল ভিডিও টিউটোরিয়াল নিতে পারেন। এখানে তারা অনেক যত্ন সহকারে ও অনেক সহজ ভাবে ফাইভারের যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে।
এর পরে আসি গিগ তৈরী করার সময় আপনি কোন জিনিসটা থেকে বিরত থাকবেন।
>আসলে এই বিষয়টা নিয়ে বলতে গেলে বলবো আপনার লেখার ফন্ট ক্যাপিটাল লেটার হওয়া যাবেনা। মানে আপনি যদি Graphics Design লিখতে চান তাহলে আপনাকে graphics design লিখতে হবে। কারণ কেউ কেউ আছে ফাইভার সার্চ ইঞ্জিনে ক্যাপিটাল লেটার ব্যবহার করেনা। এই বিষয়টা আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। যদি আপনি এই ভুলটা করে তাহলে আপনার গিগের ভিউ কমে যাবে।
>তারপরে যা আপনি যেটা থেকে বিরত থাকবেন সেটা হচ্ছে, কপি পেস্ট। বুঝলেন না তো? আসলে আমি বুঝাতে চাচ্ছি আপনি অন্য কারো গিগ দেখে কোনো কিছু কপি করবেন না। এটা করলে ফাইভার কতৃপক্ষ আপনার ফাইভার একাউন্ট নষ্ট করে দিবে বা ব্লক করে দিবে। তাই অবশ্যই আপনাকে এটা থেকে বিরত থাকতে হবে।
>আপনি আপনার গিগের জন্য একটি ছবি যুক্ত করবেন। উক্ত ছবিটি অবশ্যই আপনার গিগ সম্পর্কিত হতে হবে। ছবি যুক্ত করতে গেলে আপনাকে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যেনো আপনি ছবিটি আপনার এডিটকৃত হয়। আর আপনার ছবির মাপ 682 pixels wide x 459 pixels high (minimum)-এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন। ছবি এডিট করার সময় আপনাকে ছবির ব্যাকগ্রউন্ড-এর দিক থেকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে। এডিট করার সময় আপনি আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড যেনো হাল্কা রঙের হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
এখন আসি আপনি কিভাবে আপনার গিগ রিভিউ বাড়াবেনঃ আসলে আমি এতক্ষণ যে যে ভাবে কথা বলছি সে অনুসারে আপনি কাজ করলে আপনার গিগ রিভিউ এমনি বেড়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি আপনার একাউন্টে আপনার পোর্টফোলিও টা ভালো দেন তাহলে আপনার গিগ এবং আপনার একাউন্টের রেটিং দুই ই বেড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
গিগ সেলে এর সম্ভবনা বৃদ্ধিঃ আপনি যদি আপনার গিগে ভিডিও এড করেন তাহলে আপনার গিগ সেল হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। কিন্তু ভিডিও ৪০-৫০ মিনিটের মতো হতে হবে। এক্ষেত্রে ভিডিওটা আপনার হলে ভালো হয় আর ভিডিওটা অবশ্যই ইংরেজীতে হতে হবে। আর ভিডিওতে ব্যবহারকৃত ভাষাগুলো স্পষ্ট হতে হবে।
এখন আসি গিগ কোথায় থেকে তৈরি করবোঃ গিগ তৈরী করার জন্য আপনার একটি ফাইভারে একাউন্ট থাকতে হবে। কথা না বাড়িয়ে চলুন ফ্লোচার্ট এর মাধ্যমে দেখি কিভাবে গিগ তৈরি করবো> Create a new gig Gig title (title টা গুরুত্ব পূর্ণ, কারন টাইটেল দেখেই বায়ার আপনার গিগ এর প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রথমেই বলেছি টাইটেল টা আবশ্যই উইনিক এবং ৮০ ওয়ার্ড এর ভিতরে হতে হবে।) category (আপনার গিগ কোন category যায় সে হিসাবে সিলেক্ট করতে হবে।) Gig gallery (Gig gallery তে আপনার গিগ এর সাথে যায় এমন একটি ছবি দিবেন,ছবি কপি পেস্ট করবেন না,নিজে এডিট করে দিবেন) Description Duratio Tags ( আপনার গিগ সম্পের্ক অল্প কথায় সুন্দর করে গুছিয়ে লেখতে হবে,সঠিক ইংলিশে লিখবেন।) Instruction for buyer আপনি এগুলো স্টেপ বাই স্টেপ পুরো করবেন এবং সেভ করবেন। তার পরে আসবে Video-fy your Gig। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গিগে অবশ্যই ভিডিও দিবেন, তাহলে গিগ সেল ভালো হবে। এভাবে আপনি একটি গিগ তৈরী করতে পারবেন।
আশা করছি আমার লেখা পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন । সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

ফাইভারে গিগ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফাইভার নিয়ে কাজ করছেন। আর যারা ফাইভার নিয়ে কাজ করছেন তাদের জন্য গিগ শব্দটা অতি পরিচিত একটা শব্দ। আমরা আজকে জানবো আসলে গিগ কি, গিগ কেমন করে তৈরি করা হয়, গিগ কেনো তৈরি করা হয়। তো চলুন শুরু করা যাক।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে আলোচনা করা যাক যে, গিগ কি?
গিগঃ গিগ হলো এক ধরনের সার্ভিসের নাম। অর্থাৎ আপনি ফাইভারে যে বিষয় নিয়ে কাজ করবেন সেই কাজকে পোস্ট আকারে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে ছাড়াকে গিগ বলে। আপনার গিগকে প্রাথমিক ভাবে ফাইভার ৫ ডলার দিয়ে বায়ারদের কাছে বিক্রি করে যাচ্ছে। সে জন্য গিগ তৈরি করার সময় আপনাকে দেওয়া শর্ত অনুসারে কাজ করতে হবে। যেমন ধরুন আপনি আপনার গিগে যদি সময়ের কথা উল্লেখ করে থাকেন, মানে যদি বলে থাকেন যে আমি ৫ দিনের ভিতরে কাজ সম্পুন্ন করে দিবো তাহলে সেই কাজটা আপনাকে ৪ দিনের ভিতরে শেষ করতে হবে। কারন ৫ দিনের মধ্যে আপনাকে কাজ কমপ্লিট করে দিতে তো হবেই উপরন্তু আপনার কাজের কোনো ভুল হলে সেটাও উক্ত ৫ দিনের মধ্যেই শুধরে নিতে হবে।
সে জন্য ৪ দিনে কাজ কাজটা সম্পুন্ন করে ক্লায়েন্টকে নক করে কাজের নমুনা দেখালে ক্লায়েন্ট আপনাকে বলে দিবে যে আপনার কাজটা ঠিক হয়েছে কি না। আপনার কাজে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সেইটাও আপনার বায়ার আপনাকে বলে দিবে। আর আপনাকে সেই অনুযায়ী কাজ করে দিতে হবে। ফলে আপনার কাজ ডেলিভারি করার পড়ে আপনাকে আর কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না এবং আপনার পারিশ্রমিক ও আপনি ঠিকভাবে পেয়ে যাবেন।
আমরা কেউ কেউ সঠিক উপায়ে বা ভালো ভাবে গিগ তৈরি করতে পারিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমরা কেমনভাবে একটি গিগ তৈরি করে নিতে পারবো।

আমরা কেউ কেউ সঠিক উপায়ে বা ভালো ভাবে গিগ তৈরি করতে পারিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমরা কেমনভাবে একটি গিগ তৈরি করে নিতে পারবো।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
কেমন করে গিগ তৈরি করবো? গিগ তৈরি করার সময় আমাদের কিছু কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আসলে আমরা অনেকেই জানি যে টাইটেল হচ্ছে গিগের মুল অংশ। আর এটা একজন বায়ারের কাছেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যদি টাইটেল না ব্যবহার করেন তাহলে বায়ার আপনার গিগ খুঁজে পাবেনা। আর আপনাকে এমন একটি টাইটেল ব্যবহার করতে হবে যেনো টাইটেলটা দেখেই ভিজিটর আপনার গিগ ভিজিট করে দেখে। তার পরের বিষয় নিয়ে যদি আমি কথা বলি তাহলে বলবো গিগে আপনি আপনার সেরা ৮-১০টি ডিজাইন দিয়ে গিগ তৈরী করবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ভালো মানের গিগ তৈরি করা শিখতে হবে। সেজন্য আপনি ভালো রকমের ডিজাইনারের প্রোফাইল ঘুরে দেখতে পারেন। এছাড়া আপনি Graphic School BD এর ফাইভার স্পেশাল ভিডিও টিউটোরিয়াল নিতে পারেন। এখানে তারা অনেক যত্ন সহকারে ও অনেক সহজ ভাবে ফাইভারের যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে।
এর পরে আসি গিগ তৈরী করার সময় আপনি কোন জিনিসটা থেকে বিরত থাকবেন।
>আসলে এই বিষয়টা নিয়ে বলতে গেলে বলবো আপনার লেখার ফন্ট ক্যাপিটাল লেটার হওয়া যাবেনা। মানে আপনি যদি Graphics Design লিখতে চান তাহলে আপনাকে graphics design লিখতে হবে। কারণ কেউ কেউ আছে ফাইভার সার্চ ইঞ্জিনে ক্যাপিটাল লেটার ব্যবহার করেনা। এই বিষয়টা আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। যদি আপনি এই ভুলটা করে তাহলে আপনার গিগের ভিউ কমে যাবে।
>তারপরে যা আপনি যেটা থেকে বিরত থাকবেন সেটা হচ্ছে, কপি পেস্ট। বুঝলেন না তো? আসলে আমি বুঝাতে চাচ্ছি আপনি অন্য কারো গিগ দেখে কোনো কিছু কপি করবেন না। এটা করলে ফাইভার কতৃপক্ষ আপনার ফাইভার একাউন্ট নষ্ট করে দিবে বা ব্লক করে দিবে। তাই অবশ্যই আপনাকে এটা থেকে বিরত থাকতে হবে।
>আপনি আপনার গিগের জন্য একটি ছবি যুক্ত করবেন। উক্ত ছবিটি অবশ্যই আপনার গিগ সম্পর্কিত হতে হবে। ছবি যুক্ত করতে গেলে আপনাকে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যেনো আপনি ছবিটি আপনার এডিটকৃত হয়। আর আপনার ছবির মাপ 682 pixels wide x 459 pixels high (minimum)-এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন। ছবি এডিট করার সময় আপনাকে ছবির ব্যাকগ্রউন্ড-এর দিক থেকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে। এডিট করার সময় আপনি আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড যেনো হাল্কা রঙের হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
এখন আসি আপনি কিভাবে আপনার গিগ রিভিউ বাড়াবেনঃ আসলে আমি এতক্ষণ যে যে ভাবে কথা বলছি সে অনুসারে আপনি কাজ করলে আপনার গিগ রিভিউ এমনি বেড়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি আপনার একাউন্টে আপনার পোর্টফোলিও টা ভালো দেন তাহলে আপনার গিগ এবং আপনার একাউন্টের রেটিং দুই ই বেড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
গিগ সেলে এর সম্ভবনা বৃদ্ধিঃ আপনি যদি আপনার গিগে ভিডিও এড করেন তাহলে আপনার গিগ সেল হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। কিন্তু ভিডিও ৪০-৫০ মিনিটের মতো হতে হবে। এক্ষেত্রে ভিডিওটা আপনার হলে ভালো হয় আর ভিডিওটা অবশ্যই ইংরেজীতে হতে হবে। আর ভিডিওতে ব্যবহারকৃত ভাষাগুলো স্পষ্ট হতে হবে।
এখন আসি গিগ কোথায় থেকে তৈরি করবোঃ গিগ তৈরী করার জন্য আপনার একটি ফাইভারে একাউন্ট থাকতে হবে। কথা না বাড়িয়ে চলুন ফ্লোচার্ট এর মাধ্যমে দেখি কিভাবে গিগ তৈরি করবো> Create a new gig Gig title (title টা গুরুত্ব পূর্ণ, কারন টাইটেল দেখেই বায়ার আপনার গিগ এর প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রথমেই বলেছি টাইটেল টা আবশ্যই উইনিক এবং ৮০ ওয়ার্ড এর ভিতরে হতে হবে।) category (আপনার গিগ কোন category যায় সে হিসাবে সিলেক্ট করতে হবে।) Gig gallery (Gig gallery তে আপনার গিগ এর সাথে যায় এমন একটি ছবি দিবেন,ছবি কপি পেস্ট করবেন না,নিজে এডিট করে দিবেন) Description Duratio Tags ( আপনার গিগ সম্পের্ক অল্প কথায় সুন্দর করে গুছিয়ে লেখতে হবে,সঠিক ইংলিশে লিখবেন।) Instruction for buyer আপনি এগুলো স্টেপ বাই স্টেপ পুরো করবেন এবং সেভ করবেন। তার পরে আসবে Video-fy your Gig। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গিগে অবশ্যই ভিডিও দিবেন, তাহলে গিগ সেল ভালো হবে। এভাবে আপনি একটি গিগ তৈরী করতে পারবেন।
আশা করছি আমার লেখা পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন । সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম।

আপনার মতামত লিখুনঃ