Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

সহজ উপায়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডিজাইন করুন

প্রেজেন্টেশন আসলে কি?
আসলে কোন বিষয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী উপাদানগুলোকে সারিবদ্ধভাবে সাজানো বুঝায়। দৃশ্যমান শ্রেনীক্রমের মূল তত্ত্ব আপনাকে আপনার পিপিটি ডিজাইন স্লাইডের গঠন সংজ্ঞায়িত করতে সহায়তা করবে। দৃশ্যমান অনুক্রমের সঠিক ব্যবহার এটা নিশ্চিত করে যে সঠিক উপাদানগুলোই আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
আপনি একটি আর্থিক প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে যাচ্ছেন, এজন্য আপনি আপনার দর্শকদের জানাতে চাচ্ছেন যে, গত বছরের ত্রৈমাসিকে বিপণনের ঘাটতির জন্য বেচাকেনা খারাপ হয়েছিলো।
যেটা অবাস্তব, তা হচ্ছে আপনার দর্শকদেরকে কি পরিমান বিক্রি হয়েছিলো তার সঠিক পরিসংখ্যান বোঝানো। একই সাথে কোন বিক্রেতা বাজেভাবে সঞ্চালন করেছিলো এবং মার্কেটিং অ্যাকশনের পূর্ণ লিস্ট যেগুলো ব্যর্থ হয়েছিলো তা তুলে ধরা আসলে সম্ভব নয়।
একটি প্রেজেন্টেশন ছোট্ট সময়ের মধ্যে অনেক বেশী তথ্য প্রদান করে থাকে, এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ ক্ষমতা সংক্ষিপ্ত। মূল বার্তার উপর আলোকপাত করুন এবং দৃশ্যমান শ্রেনীক্রম ব্যবহার করে মূল ধারণাগুলো তুলে ধরুন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এখন আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছি যে দৃশ্যমান অনুক্রম কিভাবে কাজ করে। দৃশ্যমান শ্রেনীক্রমের উপর ভিত্তি করে, আপনি ফলপ্রদ পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড ডিজাইন তৈরি করতে পারেন।
প্রতিটি স্লাইডের জন্য, মূল কৌশল হচ্ছে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি কি তা বুঝতে পারা। এর উপর ভিত্তি করে আপনি নকশার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারেন যে, এই সামগ্রিক ব্যাপারগুলো মানুষ সত্যিই মনে রাখবে।
এই প্রক্রিয়াটি অন্যান্য স্লাইড ডিজাইনের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার হয়তো একটি সারিতে একই বিষয়ের উপর বেশ কিছু স্লাইড রয়েছে। কিন্তু, পরিশিষ্ট সহ চূড়ান্ত স্লাইডটি হতে পারে এমন একটি স্লাইড, যাতে শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য আপনি অতিরিক্ত দৃশ্যকল্প যোগ করতে চাইছেন। যেমন, প্রথমবারের মতো কোন ছবি যোগ করা বা লেখা যথারীতির চেয়ে কিছুটা বড় করা ইত্যাদি। এতে আপনার স্লাইড বিন্যাস্ত হওয়ার পাশাপাশি এতে দৃশ্যমান অনুক্রমেরও সঠিক প্রয়োগ হবে।
চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে

সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের জন্য একটি টেম্পলেট নির্বাচন করুনঃ
এক এক স্লাইডে এক এক ডিজাইনের টেম্পলেট, আপনার প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করার চেয়ে অসুন্দরই করে তুলে বেশি। তাই একটি মার্জিত এবং দৃষ্টিনন্দন টেম্পলেট নির্বাচন করুন সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের জন্য।
কালো ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করবেন নাঃ
কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা অথবা অন্যান্য রঙ কম্পিউটারে স্পষ্ট বুঝা গেলেও যখন প্রজেক্টর দিয়ে উপস্থাপন করা হয় তখন তা ঝাপসা হয়ে পড়ে। তাই কালো ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার না করাই শ্রেয়।
আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স ব্যবহার করুনঃ
শুধুমাত্র লেখা দিয়ে স্লাইড পূর্ণ না করে, উপযুক্ত স্থানে চার্ট, টেবল, গ্রাফ ইত্যাদি যোগ করুন। এতে আপনার প্রেজেন্টেশনের প্রতি দর্শকের মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে।
স্লাইড তৈরি করুন পরিচ্ছন্নভাবেঃ
প্রেজেন্টেশনের জন্য স্লাইড তৈরির সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যেই অতিমাত্রায় রঙ্গিন ব্যাকগ্রাউন্ড, দৃষ্টিকটু ফন্ট, প্রচুর এনিমেশন ব্যবহার ইত্যাদি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এসব কোনভাবেই প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে না। মনে রাখা দরকার স্লাইড নয়, আপনার জ্ঞানই পারে একটি প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে।
ছবি যোগ করুনঃ
একটি উপযুক্ত ছবি অসংখ্য কথার চেয়ে বেশি মনোভাব প্রকাশ করতে পারে। তাই স্লাইডে প্রাসঙ্গিক ছবি যোগ করুন। তবে অতিরিক্ত ছবি দর্শকের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে তাই সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
ফন্ট নির্বাচনে সতর্ক হনঃ

প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করার জন্য অনেক সময় আমরা কম প্রচলিত ফন্ট ব্যবহার করি বা ইন্টারনেট থেকে ফন্ট ডাউনলোড করে নিই। যদি কম্পিউটার পরিবর্তন হয় তখন দেখা যায় সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনটিই এলোমেলো হয়ে পড়েছে। তাই, Arial বা Times new roman ধরণের প্রচলিত ফন্ট ব্যবহার করুন। এছাড়া ফন্টের সাইজ ও বড় রাখুন যাতে তা দূর থেকে পড়তে কোন সমস্যা না হয়।
প্রেজেন্টেশনে অডিও এবং ভিডিও যোগ করুনঃ
প্রাসঙ্গিক অডিও এবং ভিডিও আপনার প্রেজেন্টেশনকে নতুন মাত্রা এনে দিতে পারে। এছাড়া দর্শকদেরও রক্ষা করে একঘেয়েমি থেকে।
লেখায় এনিমেশন যোগ করার প্রবণতা বন্ধ করুনঃ
পাওয়ার পয়েন্টে অসংখ্য এনিমেশন রয়েছে যা লেখার সাথে যুক্ত করলে তা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে বলে ধারণা করা হয়। কোন বিনোদনমূলক প্রেজেন্টেশনের জন্য এনিমেটেড লেখা উপযুক্ত হলেও প্রফেশনাল প্রেজেন্টেশনের জন্য তা একেবারেই অনুপযুক্ত। যতক্ষণ এনিমেশন থেমে লেখাটি স্থির না হচ্ছে ততক্ষণ কেউই তা পড়তে পারেন না, নষ্ট হয় অমূল্য সময়। তাই লেখায় এনিমেশন যোগ করা থেকে বিরত থাকুন।
প্রেজেন্টেশন ডিজাইনের পর কি কি করা উচিৎ নয়? চুলুন জেনে নিই

অডিয়েন্সকে নোট নিতে চাপ না দেওয়াঃ
আপনি নোট নিচ্ছেন না কেন, এই সেন্স স্লাইডে আর এক কথায় বার বার প্রকাশ করা মানেই প্রেজেন্টেশনকে বোরিং করে ফেলা। তাই আমাদের এটা বর্জন করতে হবে।
কম সময় নিয়ে প্রেজেন্টেশন দিনঃ
সাধারণত বড় বড় স্পিকাররা ২ মিনিটেই প্রেজেন্টেশনের মূল থিম অডিয়েন্সকে বুঝিয়ে দিতে পারেন, সেজন্যই তাদের প্রেজেন্টেশন প্রানবন্ত হয়। প্রেজেন্টেশন প্রানবন্ত করার জন্য কম সময় নিন, স্পষ্টভাবে কথা বলুন। আর মনোটোনে কথা বলবেন না, কারণ এতে অডিয়েন্স বিরক্ত হয়ে যেতে পারে।
রঙ-বেরঙের স্লাইড আর গ্রাফ ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকুনঃ
ভায়োলেট, পিংক, ব্লু-যত ডার্ক রং চোখের উপর চাপ তৈরি করে তা স্লাইড তৈরির সময় ব্যবহার করে অডিয়েন্সকে বিরক্ত করে তুলতে পারেন। তাই আমাদের এগুলো থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। বড় বড় ফন্ট, উদ্ভট অ্যানিমেশনেও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনকে সেই মাত্রায় বোরিং করে তোলে। আর আপনাকে যথাসম্ভব এগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
ভার নিয়ে প্রেজেন্টেশন দিবেন নাঃ
খুব রোমাঞ্চকর স্টাইলে প্রেজেন্টেশন দিন। বডি ল্যাঙ্গুয়েজকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন যেন আপনিই সব। আর এমন সব জার্গন ব্যবহার করবেন না, যেন যা বলছেন সব অডিয়েন্সের মাথার অনেক উপর দিয়ে যায়। এসব করলে আপনি নিশ্চিত থাকুন, আপনি সেই ৯৮ ভাগ প্রেজেন্টারের দলে চলে আসবেন যারা অডিয়েন্সকে বোরিং করে তুলতে পারেন। তাই আপনাকে এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।
আপনি উপরিক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে আপনার প্রেজেন্টেশন অনেক ভালভাবে ডিজাইন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌।
আমার এই লেখাটি আপনাদের অনেক উপকারে আসতে পারে। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাই অনেক ধন্যবাদ। আসসালামুআলাইকুম।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

সহজ উপায়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ডিজাইন করুন

প্রেজেন্টেশন আসলে কি?
আসলে কোন বিষয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী উপাদানগুলোকে সারিবদ্ধভাবে সাজানো বুঝায়। দৃশ্যমান শ্রেনীক্রমের মূল তত্ত্ব আপনাকে আপনার পিপিটি ডিজাইন স্লাইডের গঠন সংজ্ঞায়িত করতে সহায়তা করবে। দৃশ্যমান অনুক্রমের সঠিক ব্যবহার এটা নিশ্চিত করে যে সঠিক উপাদানগুলোই আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
আপনি একটি আর্থিক প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে যাচ্ছেন, এজন্য আপনি আপনার দর্শকদের জানাতে চাচ্ছেন যে, গত বছরের ত্রৈমাসিকে বিপণনের ঘাটতির জন্য বেচাকেনা খারাপ হয়েছিলো।
যেটা অবাস্তব, তা হচ্ছে আপনার দর্শকদেরকে কি পরিমান বিক্রি হয়েছিলো তার সঠিক পরিসংখ্যান বোঝানো। একই সাথে কোন বিক্রেতা বাজেভাবে সঞ্চালন করেছিলো এবং মার্কেটিং অ্যাকশনের পূর্ণ লিস্ট যেগুলো ব্যর্থ হয়েছিলো তা তুলে ধরা আসলে সম্ভব নয়।
একটি প্রেজেন্টেশন ছোট্ট সময়ের মধ্যে অনেক বেশী তথ্য প্রদান করে থাকে, এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ ক্ষমতা সংক্ষিপ্ত। মূল বার্তার উপর আলোকপাত করুন এবং দৃশ্যমান শ্রেনীক্রম ব্যবহার করে মূল ধারণাগুলো তুলে ধরুন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
এখন আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছি যে দৃশ্যমান অনুক্রম কিভাবে কাজ করে। দৃশ্যমান শ্রেনীক্রমের উপর ভিত্তি করে, আপনি ফলপ্রদ পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড ডিজাইন তৈরি করতে পারেন।
প্রতিটি স্লাইডের জন্য, মূল কৌশল হচ্ছে শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি কি তা বুঝতে পারা। এর উপর ভিত্তি করে আপনি নকশার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারেন যে, এই সামগ্রিক ব্যাপারগুলো মানুষ সত্যিই মনে রাখবে।
এই প্রক্রিয়াটি অন্যান্য স্লাইড ডিজাইনের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার হয়তো একটি সারিতে একই বিষয়ের উপর বেশ কিছু স্লাইড রয়েছে। কিন্তু, পরিশিষ্ট সহ চূড়ান্ত স্লাইডটি হতে পারে এমন একটি স্লাইড, যাতে শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য আপনি অতিরিক্ত দৃশ্যকল্প যোগ করতে চাইছেন। যেমন, প্রথমবারের মতো কোন ছবি যোগ করা বা লেখা যথারীতির চেয়ে কিছুটা বড় করা ইত্যাদি। এতে আপনার স্লাইড বিন্যাস্ত হওয়ার পাশাপাশি এতে দৃশ্যমান অনুক্রমেরও সঠিক প্রয়োগ হবে।
চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে

সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের জন্য একটি টেম্পলেট নির্বাচন করুনঃ
এক এক স্লাইডে এক এক ডিজাইনের টেম্পলেট, আপনার প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করার চেয়ে অসুন্দরই করে তুলে বেশি। তাই একটি মার্জিত এবং দৃষ্টিনন্দন টেম্পলেট নির্বাচন করুন সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের জন্য।
কালো ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করবেন নাঃ
কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা অথবা অন্যান্য রঙ কম্পিউটারে স্পষ্ট বুঝা গেলেও যখন প্রজেক্টর দিয়ে উপস্থাপন করা হয় তখন তা ঝাপসা হয়ে পড়ে। তাই কালো ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার না করাই শ্রেয়।
আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স ব্যবহার করুনঃ
শুধুমাত্র লেখা দিয়ে স্লাইড পূর্ণ না করে, উপযুক্ত স্থানে চার্ট, টেবল, গ্রাফ ইত্যাদি যোগ করুন। এতে আপনার প্রেজেন্টেশনের প্রতি দর্শকের মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে।
স্লাইড তৈরি করুন পরিচ্ছন্নভাবেঃ
প্রেজেন্টেশনের জন্য স্লাইড তৈরির সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যেই অতিমাত্রায় রঙ্গিন ব্যাকগ্রাউন্ড, দৃষ্টিকটু ফন্ট, প্রচুর এনিমেশন ব্যবহার ইত্যাদি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এসব কোনভাবেই প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে না। মনে রাখা দরকার স্লাইড নয়, আপনার জ্ঞানই পারে একটি প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে।
ছবি যোগ করুনঃ
একটি উপযুক্ত ছবি অসংখ্য কথার চেয়ে বেশি মনোভাব প্রকাশ করতে পারে। তাই স্লাইডে প্রাসঙ্গিক ছবি যোগ করুন। তবে অতিরিক্ত ছবি দর্শকের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে তাই সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
ফন্ট নির্বাচনে সতর্ক হনঃ

প্রেজেন্টেশনকে আকর্ষণীয় করার জন্য অনেক সময় আমরা কম প্রচলিত ফন্ট ব্যবহার করি বা ইন্টারনেট থেকে ফন্ট ডাউনলোড করে নিই। যদি কম্পিউটার পরিবর্তন হয় তখন দেখা যায় সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনটিই এলোমেলো হয়ে পড়েছে। তাই, Arial বা Times new roman ধরণের প্রচলিত ফন্ট ব্যবহার করুন। এছাড়া ফন্টের সাইজ ও বড় রাখুন যাতে তা দূর থেকে পড়তে কোন সমস্যা না হয়।
প্রেজেন্টেশনে অডিও এবং ভিডিও যোগ করুনঃ
প্রাসঙ্গিক অডিও এবং ভিডিও আপনার প্রেজেন্টেশনকে নতুন মাত্রা এনে দিতে পারে। এছাড়া দর্শকদেরও রক্ষা করে একঘেয়েমি থেকে।
লেখায় এনিমেশন যোগ করার প্রবণতা বন্ধ করুনঃ
পাওয়ার পয়েন্টে অসংখ্য এনিমেশন রয়েছে যা লেখার সাথে যুক্ত করলে তা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠে বলে ধারণা করা হয়। কোন বিনোদনমূলক প্রেজেন্টেশনের জন্য এনিমেটেড লেখা উপযুক্ত হলেও প্রফেশনাল প্রেজেন্টেশনের জন্য তা একেবারেই অনুপযুক্ত। যতক্ষণ এনিমেশন থেমে লেখাটি স্থির না হচ্ছে ততক্ষণ কেউই তা পড়তে পারেন না, নষ্ট হয় অমূল্য সময়। তাই লেখায় এনিমেশন যোগ করা থেকে বিরত থাকুন।
প্রেজেন্টেশন ডিজাইনের পর কি কি করা উচিৎ নয়? চুলুন জেনে নিই

অডিয়েন্সকে নোট নিতে চাপ না দেওয়াঃ
আপনি নোট নিচ্ছেন না কেন, এই সেন্স স্লাইডে আর এক কথায় বার বার প্রকাশ করা মানেই প্রেজেন্টেশনকে বোরিং করে ফেলা। তাই আমাদের এটা বর্জন করতে হবে।
কম সময় নিয়ে প্রেজেন্টেশন দিনঃ
সাধারণত বড় বড় স্পিকাররা ২ মিনিটেই প্রেজেন্টেশনের মূল থিম অডিয়েন্সকে বুঝিয়ে দিতে পারেন, সেজন্যই তাদের প্রেজেন্টেশন প্রানবন্ত হয়। প্রেজেন্টেশন প্রানবন্ত করার জন্য কম সময় নিন, স্পষ্টভাবে কথা বলুন। আর মনোটোনে কথা বলবেন না, কারণ এতে অডিয়েন্স বিরক্ত হয়ে যেতে পারে।
রঙ-বেরঙের স্লাইড আর গ্রাফ ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকুনঃ
ভায়োলেট, পিংক, ব্লু-যত ডার্ক রং চোখের উপর চাপ তৈরি করে তা স্লাইড তৈরির সময় ব্যবহার করে অডিয়েন্সকে বিরক্ত করে তুলতে পারেন। তাই আমাদের এগুলো থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। বড় বড় ফন্ট, উদ্ভট অ্যানিমেশনেও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনকে সেই মাত্রায় বোরিং করে তোলে। আর আপনাকে যথাসম্ভব এগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
ভার নিয়ে প্রেজেন্টেশন দিবেন নাঃ
খুব রোমাঞ্চকর স্টাইলে প্রেজেন্টেশন দিন। বডি ল্যাঙ্গুয়েজকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন যেন আপনিই সব। আর এমন সব জার্গন ব্যবহার করবেন না, যেন যা বলছেন সব অডিয়েন্সের মাথার অনেক উপর দিয়ে যায়। এসব করলে আপনি নিশ্চিত থাকুন, আপনি সেই ৯৮ ভাগ প্রেজেন্টারের দলে চলে আসবেন যারা অডিয়েন্সকে বোরিং করে তুলতে পারেন। তাই আপনাকে এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।
আপনি উপরিক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে আপনার প্রেজেন্টেশন অনেক ভালভাবে ডিজাইন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌।
আমার এই লেখাটি আপনাদের অনেক উপকারে আসতে পারে। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাই অনেক ধন্যবাদ। আসসালামুআলাইকুম।

আপনার মতামত লিখুনঃ