Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

MS PowerPoint প্রেজেন্টেশন তৈরীর A To Z

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আজকে আমি আপনাদের জন্য মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন আলোচনা শুরু করা যাক আজকের বিষয়টা নিয়ে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে জানা যাক মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট কি?
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরী একটি অ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম। যা দিয়ে স্লাইড শো উপস্থাপনা করা যায়। ডেনিশ অস্টিন ও থমাস মাকিন্টোশ মিলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট অ্যাপলিকেশনটি প্রোগ্রামটি বানায়। কিন্তু সেটা ছিলো ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির অধীনে থেকে। ১৯৮৭ সালে রবার্ট গাস্কিন্স এর নাম দেন পাওয়ার পয়েন্ট। তারপরে মাইক্রোসফট কোম্পানি পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রামকে কিনে নেয় এবং পরবর্তীতে অনেক উন্নত করে প্রোগ্রামটিকে এবং ২২শে মে ১৯৯০ সালে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট সফল যাত্রা শুরু করে।
আসলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টকে মাইক্রোসফট-এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্তমানে পাওয়ার পয়েন্ট-এর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি প্রেজেন্টেশন মানে উপস্থাপন করা। যেমন ধরুন- বিভিন্ন আলোচনা চক্র, বিভিন্ন প্রদর্শনী, সভাসমিতি কনফারেন্স সেমিনার ইত্যাদি জায়গার কোন বিষয় বস্তুর উপর বক্তা তার মতামত দর্শক ও শ্রোতাদের কাছে উপস্থাপন করে থাকেন। কিন্তু বক্তার অনুপস্থিতে দর্শক ও শ্রোতাদের মনোযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বক্তা তার বিষয় বস্তুতে বিভিন্ন লেখা, ছবি, সাউন্ড, গ্রাফ ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তারপরে প্রোজেক্টর বা কোনো বড়ো পর্দার সাহায্যে সেগুলো দর্শকের কাছে তুলে ধরে। আর এরকম কাজ পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই করা যায়।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন

চলুন জেনে নিই মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এর খুঁটিনাটি সব বিষয় সম্পরকোঃ

পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডঃ আমাদের অনেকীই জানা আছে যে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনকে কয়েকটা স্লাইডে ভাগ করা হয়েছে। আসলে পাওয়ার পয়েন্টে কাজ করার সময় প্রত্যেক প্রেজেন্টেশনকে কীওয়ার্ড দিয়ে সাজাতে হয়।মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এ কাজের পাতা বা ডকুমেন্টগুলোকে স্লাইড বলে। আর প্রত্যেকটি স্লাইডে টাইটেল, টেক্সট, গ্রাফিক্স সহ অনেক কিছু থেকে থাকে।
প্রেজেন্টেশনঃ এম এস ওয়ার্ড এ আমরা কাজ সম্পুন্ন করে সেগুলোকে সেভ করে রাখি এবং পরবর্তীতে সেগুলোকে ফাইল বলে সম্বোধন করে থাকি থিক তেমনি এম এস পাওয়ার পয়েন্ট-এর সেভ করা ফাইল্গুলোকে প্রেজেন্টেশন বলে। এম এস ওয়ার্ডে যে রকম অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে সে রকম পাওয়ার পয়েন্টেও অনেক পৃষ্ঠা থাকে আর সেগুলোকে স্লাইড বলা হয়ে থাকে।
পাওয়ার পয়েন্ট ট্যাবঃ এখন আমরা পাওয়ার পয়েন্টের ট্যাব নিয়ে। আসলে ট্যাবকে মেনু বারও বলা হয়। আমরা যারা এম এস এর অফিস/এক্সেল ব্যবহার করেছি তারা খুব সহজেই বুঝতে পারবো বিষয়টা সম্পর্কে। আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্যাব হলোঃ 1. Insert, 2. Design, 3. Transitions, 4. Animation, 5. Slide Show, 6. View. চলুন ট্যাবগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।
1.Insert: Insert আপনি আপনার প্রেজেন্টেশন স্লাইডে অনেক কিছু যোগ করতে পারবেন। যেমন আপনি চাইলে বিভিন্ন ছবি, চার্ট, ভিডিও, অডিও ক্লিপ ইত্যাদি যোগ করতে পারবেন।
2. Design: Design শব্দটি বলার সাথে সাথে আমরা বুঝতে পারছি এটার দ্বারা কি কি করতে হয় বা এটা দিয়ে আপনাকে কি করতে হবে। হ্যাঁ আপনি এই ট্যাব ব্যবহার করে বিভিন্ন কালার থিম, ব্যাকগ্রউন্ড স্টাইল ইত্যাদির কাজ করতে পারবেন।
3. Transitions: এক স্লাইড থেকে অন্য স্লাইডে যাওয়ার নামকেই আসলে Transitions বলে। আর Transitions ট্যাবে অনেক এনিমেশন আছে আর আপনি খুব সহজেই এগুলো আপনার প্রেজেন্টেশনে ব্যবহার করতে পারবেন।
4. Animation: Animation ব্যবহার করে আপিনি আপনার প্রোজেক্টকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন। এই Animation গুলো আপনি Transitions ট্যাবে পেয়ে যাবেন।
5. Slide Show: Slide Show ট্যাবের দ্বারা আপনি আপনার স্লাইডকে জিভাবে চালাবের সেটার কম্যান্ড দেওয়া যায়।
6. View: এটি একটি অন্যতম ট্যাব। View ট্যাব ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রেজেন্টেশনকে দর্শকের সামনে বিভিন্নভাবে প্রেজেন্ট করতে পারবেন।
রিকমেন্ডেড ট্যাব ছাড়াও আপনি আপনার প্রয়োজন আনুযায়ী নিজের ইচ্ছা মতো কাস্টমাইজড করে নিতে পারবেন।
এখন আসি ব্যাকস্টেজ বা আফিস মেনু নিয়েঃ আমরা যারা মাইক্রোসফট অফিস/এক্সেল ব্যবহার করেছি তারা এই মেনুতে ক্লিক করলেই বুঝতে পারবেন যে এই ব্যাকস্টেজ বা আফিস মেনুটা কি? মূলত মাইক্রোসফট অফিস/এক্সেল এ যে রকম আফিস মেনু বাটনে New, Open, Save, Save As, Print, Save & Send, Close ইত্যাদি অপশন ছিলো এখানেও উক্ত আপশন গুলোও রয়েছে। চলুন জেনে নেই উক্ত কমান্ডগুলোর কাজ ও প্রয়োজনীয় শর্টকাট।
New: এ ক্লিক করলে আপনি নতুন একটি ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
Open: ফাইল মেনু থেকে Open- ক্লিক করলে বা Ctrl+O চেপে আপনি আপনার সেভকৃত ফাইল ওপেন করতে পারবেন।
Save: এই কমান্ডটি ব্যবহার করে ফাইল সেভ করে রাখা যায়। Save এর জন্য কী বোর্ড শর্টকাট হলো Ctrl+S.
Save As: আমরা মূলত এই কমান্ডটি ব্যবহার করি মূল ফাইলটি ঠিক রেরে অন্য নামে ফাইল সেভ করার জন্য। Save As ব্যবহার করে যেকোনো ফাইল নতুন করে যেকোনো নামে সেভ করে সেইটা পরবর্তীতে নতুন করে এডিট করে ব্যবহার করবেন। Save As এর জন্য কী বোর্ড শর্টকাট হলো F12.
Print: এই কমান্ডটি ব্যবহার করে আপনি যেকোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে পারবেন। এই কমান্ড ব্যবহার করার জন্য আপনাকে ফাইল মেনুতে যেতে হবে অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+P চাপতে হবে।
Save & Send: এখান থেকে আপনি ফাইল অনান্য ফাইল ফরমেটে সেভ করতে পারবেন, এছাড়াও আপনি আপনার ফাইলকে ই-মেইলে অন্য কোথাও পাঠাতে পারবেন।
Recent: এখানে আপনার সম্প্রীতি সেভকৃত ফাইলগুলো তালিকা আকারে থাকে।
Close: আপনার যেকোনো ফাইলের কাজ করা শেষ হলে আপনি মেনু বার থেকে Close অপশনে ক্লিক করে অথবা Ctrl+W কী-বোর্ড চেপে ফাইলটি Close করতে পারবেন।
আশা করি লেখাটা সবার কাজে লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে এখানেই শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

MS PowerPoint প্রেজেন্টেশন তৈরীর A To Z

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আজকে আমি আপনাদের জন্য মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন আলোচনা শুরু করা যাক আজকের বিষয়টা নিয়ে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
প্রথমে জানা যাক মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট কি?
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরী একটি অ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম। যা দিয়ে স্লাইড শো উপস্থাপনা করা যায়। ডেনিশ অস্টিন ও থমাস মাকিন্টোশ মিলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট অ্যাপলিকেশনটি প্রোগ্রামটি বানায়। কিন্তু সেটা ছিলো ফরথট ইঙ্ক কোম্পানির অধীনে থেকে। ১৯৮৭ সালে রবার্ট গাস্কিন্স এর নাম দেন পাওয়ার পয়েন্ট। তারপরে মাইক্রোসফট কোম্পানি পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রামকে কিনে নেয় এবং পরবর্তীতে অনেক উন্নত করে প্রোগ্রামটিকে এবং ২২শে মে ১৯৯০ সালে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট সফল যাত্রা শুরু করে।
আসলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টকে মাইক্রোসফট-এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্তমানে পাওয়ার পয়েন্ট-এর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাওয়ার পয়েন্ট মূলত প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার করা হয়। আমরা জানি প্রেজেন্টেশন মানে উপস্থাপন করা। যেমন ধরুন- বিভিন্ন আলোচনা চক্র, বিভিন্ন প্রদর্শনী, সভাসমিতি কনফারেন্স সেমিনার ইত্যাদি জায়গার কোন বিষয় বস্তুর উপর বক্তা তার মতামত দর্শক ও শ্রোতাদের কাছে উপস্থাপন করে থাকেন। কিন্তু বক্তার অনুপস্থিতে দর্শক ও শ্রোতাদের মনোযোগ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বক্তা তার বিষয় বস্তুতে বিভিন্ন লেখা, ছবি, সাউন্ড, গ্রাফ ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তারপরে প্রোজেক্টর বা কোনো বড়ো পর্দার সাহায্যে সেগুলো দর্শকের কাছে তুলে ধরে। আর এরকম কাজ পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে খুব সহজেই করা যায়।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন

চলুন জেনে নিই মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এর খুঁটিনাটি সব বিষয় সম্পরকোঃ

পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডঃ আমাদের অনেকীই জানা আছে যে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনকে কয়েকটা স্লাইডে ভাগ করা হয়েছে। আসলে পাওয়ার পয়েন্টে কাজ করার সময় প্রত্যেক প্রেজেন্টেশনকে কীওয়ার্ড দিয়ে সাজাতে হয়।মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এ কাজের পাতা বা ডকুমেন্টগুলোকে স্লাইড বলে। আর প্রত্যেকটি স্লাইডে টাইটেল, টেক্সট, গ্রাফিক্স সহ অনেক কিছু থেকে থাকে।
প্রেজেন্টেশনঃ এম এস ওয়ার্ড এ আমরা কাজ সম্পুন্ন করে সেগুলোকে সেভ করে রাখি এবং পরবর্তীতে সেগুলোকে ফাইল বলে সম্বোধন করে থাকি থিক তেমনি এম এস পাওয়ার পয়েন্ট-এর সেভ করা ফাইল্গুলোকে প্রেজেন্টেশন বলে। এম এস ওয়ার্ডে যে রকম অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে সে রকম পাওয়ার পয়েন্টেও অনেক পৃষ্ঠা থাকে আর সেগুলোকে স্লাইড বলা হয়ে থাকে।
পাওয়ার পয়েন্ট ট্যাবঃ এখন আমরা পাওয়ার পয়েন্টের ট্যাব নিয়ে। আসলে ট্যাবকে মেনু বারও বলা হয়। আমরা যারা এম এস এর অফিস/এক্সেল ব্যবহার করেছি তারা খুব সহজেই বুঝতে পারবো বিষয়টা সম্পর্কে। আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্যাব হলোঃ 1. Insert, 2. Design, 3. Transitions, 4. Animation, 5. Slide Show, 6. View. চলুন ট্যাবগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।
1.Insert: Insert আপনি আপনার প্রেজেন্টেশন স্লাইডে অনেক কিছু যোগ করতে পারবেন। যেমন আপনি চাইলে বিভিন্ন ছবি, চার্ট, ভিডিও, অডিও ক্লিপ ইত্যাদি যোগ করতে পারবেন।
2. Design: Design শব্দটি বলার সাথে সাথে আমরা বুঝতে পারছি এটার দ্বারা কি কি করতে হয় বা এটা দিয়ে আপনাকে কি করতে হবে। হ্যাঁ আপনি এই ট্যাব ব্যবহার করে বিভিন্ন কালার থিম, ব্যাকগ্রউন্ড স্টাইল ইত্যাদির কাজ করতে পারবেন।
3. Transitions: এক স্লাইড থেকে অন্য স্লাইডে যাওয়ার নামকেই আসলে Transitions বলে। আর Transitions ট্যাবে অনেক এনিমেশন আছে আর আপনি খুব সহজেই এগুলো আপনার প্রেজেন্টেশনে ব্যবহার করতে পারবেন।
4. Animation: Animation ব্যবহার করে আপিনি আপনার প্রোজেক্টকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন। এই Animation গুলো আপনি Transitions ট্যাবে পেয়ে যাবেন।
5. Slide Show: Slide Show ট্যাবের দ্বারা আপনি আপনার স্লাইডকে জিভাবে চালাবের সেটার কম্যান্ড দেওয়া যায়।
6. View: এটি একটি অন্যতম ট্যাব। View ট্যাব ব্যবহার করে আপনি আপনার প্রেজেন্টেশনকে দর্শকের সামনে বিভিন্নভাবে প্রেজেন্ট করতে পারবেন।
রিকমেন্ডেড ট্যাব ছাড়াও আপনি আপনার প্রয়োজন আনুযায়ী নিজের ইচ্ছা মতো কাস্টমাইজড করে নিতে পারবেন।
এখন আসি ব্যাকস্টেজ বা আফিস মেনু নিয়েঃ আমরা যারা মাইক্রোসফট অফিস/এক্সেল ব্যবহার করেছি তারা এই মেনুতে ক্লিক করলেই বুঝতে পারবেন যে এই ব্যাকস্টেজ বা আফিস মেনুটা কি? মূলত মাইক্রোসফট অফিস/এক্সেল এ যে রকম আফিস মেনু বাটনে New, Open, Save, Save As, Print, Save & Send, Close ইত্যাদি অপশন ছিলো এখানেও উক্ত আপশন গুলোও রয়েছে। চলুন জেনে নেই উক্ত কমান্ডগুলোর কাজ ও প্রয়োজনীয় শর্টকাট।
New: এ ক্লিক করলে আপনি নতুন একটি ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করতে পারবেন।
Open: ফাইল মেনু থেকে Open- ক্লিক করলে বা Ctrl+O চেপে আপনি আপনার সেভকৃত ফাইল ওপেন করতে পারবেন।
Save: এই কমান্ডটি ব্যবহার করে ফাইল সেভ করে রাখা যায়। Save এর জন্য কী বোর্ড শর্টকাট হলো Ctrl+S.
Save As: আমরা মূলত এই কমান্ডটি ব্যবহার করি মূল ফাইলটি ঠিক রেরে অন্য নামে ফাইল সেভ করার জন্য। Save As ব্যবহার করে যেকোনো ফাইল নতুন করে যেকোনো নামে সেভ করে সেইটা পরবর্তীতে নতুন করে এডিট করে ব্যবহার করবেন। Save As এর জন্য কী বোর্ড শর্টকাট হলো F12.
Print: এই কমান্ডটি ব্যবহার করে আপনি যেকোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে পারবেন। এই কমান্ড ব্যবহার করার জন্য আপনাকে ফাইল মেনুতে যেতে হবে অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+P চাপতে হবে।
Save & Send: এখান থেকে আপনি ফাইল অনান্য ফাইল ফরমেটে সেভ করতে পারবেন, এছাড়াও আপনি আপনার ফাইলকে ই-মেইলে অন্য কোথাও পাঠাতে পারবেন।
Recent: এখানে আপনার সম্প্রীতি সেভকৃত ফাইলগুলো তালিকা আকারে থাকে।
Close: আপনার যেকোনো ফাইলের কাজ করা শেষ হলে আপনি মেনু বার থেকে Close অপশনে ক্লিক করে অথবা Ctrl+W কী-বোর্ড চেপে ফাইলটি Close করতে পারবেন।
আশা করি লেখাটা সবার কাজে লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে এখানেই শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম।

আপনার মতামত লিখুনঃ