Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে গ্রাফিক ডিজাইন পেশায় আসুন

গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে ক্রিয়েটিভিটি থাকে আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। গ্রাফিক ডিজাইনে আউটসোর্সিং বা প্রোডাক্ট বেইজড কাজ করতে হলে আপনাকে আন্তর্জাতিক মানের গ্রফিক এর কাজ শিখতে হবে| নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ, জানতে হবে নিত্য-নতুন কলা-কৌশল।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
গ্রাফিক ডিজাইন কি?
সহজ কথায় বলতে গেলে গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।
যা জানতে হবেঃ
গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন। অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা বিদেশি বায়ারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইংরেজি জানা একটি পূর্বশর্ত। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। ইন্টারনেট সংযোগ থাকা আবশ্যক কারন আপনি যে কোন বিষয়ে অনলাইন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রভৃতি। যদি আপনার মন হয়ে থাকে সৃজনশীল অর্থাৎ আপনার যদি আঁকাআঁকি করতে ভালো লাগে তাহলে সেটা অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট।
গ্রাফিক ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ
যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক ডিজাইনের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হল
১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন ৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকন ডিজাইন ১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
লোগো ডিজাইন:
লোগো হচ্ছে একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ড। লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন,রবি,এয়ারটেল,টেলিটক, প্রাণ কিংবা প্রথম আলো শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই চিনতে পারা যায়। মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকেই তৈরি করতে হয়। শুধু প্রতীক নয় লোগোর সাথে কালারিংও ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। লোগো যেমন লোকাল বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনেও বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।
ফ্লায়ার বা ব্রশিউর তৈরিঃ
অনেক কোম্পানিই তাদের সার্ভিসগুলো ক্রেতাদের সামনে দেখানের জন্য ফ্লায়ার বা ব্রশিউর ডিজাইন করে থাকে। এধরনের অনেক গ্রাফিক্সের কাজ এ মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়। বায়ার রা এ মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে প্রচুর ফ্লায়ার বা ব্রশিউর ডিজাইন কাজ দিয়ে থাকে।
ভিজিটিং কার্ড তৈরিঃ
ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেল করে আয় করতে পারবেন।
বিজ্ঞাপন তৈরিঃ
পন্যের প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন সবচেয়ে বড় মাধ্যম। সংক্ষিপ্ত অথচ তথ্যপূর্ণ, নান্দনিক এবং বিনোদনমূলক বিজ্ঞাপন ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি বিজ্ঞাপন সেই পন্যের প্রতি চাহিদা তৈরি করতে পারবে কিনা। বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্যও রয়েছে নানা মাধ্যম। অনলাইন, প্রিন্ট কিংবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া যেখানে প্রচারের জন্যই হোক সবরকমের দক্ষতা একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের থাকতে হবে।
এসবের মধ্যে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার। কয়েকটি বিষয় শিখতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আরো সহজ হবে।
কোথায় জব/কাজ পাবেনঃ
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
- বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
- পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- অনলাইন মার্কেটপ্লেস
- প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
- ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান
গ্রাফিক সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ

গ্রাফিক ডিজাইন প্রতিযোগীতাঃ
কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখ যোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
www.99designs.com,
www.freelancer.com/
ডিজাইন বিক্রিঃ
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
www.graphicriver.net,
www.codecanyon.net,
www.freelancer.com
বিড করে কাজ:
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com
অন্যান্যঃ উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ http://www.fiverr.com
যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ
-> অবশ্যাই ভালভাবে কাজ শেখা।
-> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
-> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
-> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
-> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
-> নিজের মার্কেটিং করা
কিভাবে গ্রাফিক ডিজাইন শিখবেন:
গ্রাফিক ডিজাইন আপনি তিনটি মাধ্যমে শিখতে পারেন। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে অথবা ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিতে পারেন।
১) ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে:
এটি গ্রাফিক ডিজাইন শেখার সবচেয়ে ভাল পদ্বতি । সবচেয়ে ভাল হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন কেউ পারে তার কাছ থেকে সরাসরি শেখা, এক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (upwork.com freelancer.com peopleperhour.com) অথবা প্রোডাক্ট মার্কেটপ্লেসে (graphicriver.net) কাজ করে এমন একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে শিখতে পারেন। এভাবে দ্রুত শিখা সম্ভব। যার কাছ থেকে শিখবেন অবশ্যই তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন, মার্কেটপ্লেসে তার প্রোফাইল দেখে নিতে পারেন। তবে এক্ষত্রে একটি ছোটখাট সমস্যা হচ্ছে নতুনরা অনেকেই জানে না কিভাবে একজন ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার খুজে পাওয়া যাবে। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনার বাসায় বসে কাজ করে ফলে তাকে খুঁজে বের করাও একটু কঠিন। তবে নিজের কাজ রেখে আপনাকে সময় দিয়ে শেখানোর মত ফ্রিল্যান্সার পাওয়া সত্যি অনেক কষ্টকর।
২) ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে:
ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকেও গ্রাফিক ডিজাইন শেখা যেতে পারে তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে ৯০% প্রতিষ্ঠানই ভাল প্রশিক্ষন দেয় না সুতরাং আপনার এখানে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে দেশে কয়েকটি ভালো প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ভালো প্রতষ্ঠিান বাছাই করতে নিচের কয়েকটি স্টেপ আপনি অনুসরন করতে পারেন -
ক. প্রতষ্ঠিানটির ওয়েবসাইট, ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস পেজে তাদের তথ্য দেখুন। একটি ভালো প্রতিষ্ঠানের অবশ্যই ইনফরমেটিভ ওয়েবসাইট থাকে।
খ. প্রতষ্ঠিানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালকদের খোজ নিন, দেখুন তারা যতাযথ আইটি সম্পর্কে এক্সপার্ট কিনা।
গ. আপনি যে বিষয় শিখবেন সে বিষয়ের প্রশিক্ষকদের সম্পর্কে খোজ নিন। তাদের মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল/ সাকসেস জানার চেষ্ঠা করূন।
ঘ. প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক জানার চেষ্ঠা করূন।
৩) ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে:
যেমন আপনি ফটোশপ শিখবেন, তাহলে গুগলে সার্চ দিন "Photoshop tutorial" "Photoshop video tutorial" দেখবেন অনেক টিউটরিয়ার আছে। সেগুলো দেখে শিখতে পারেন তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে আপনি সিলিয়াল অনুযায়ী টিউটরিয়াল পাবেন না বা কোন একটি বিষয় না বুজলে আপনাকে কেউ এটি সমাধান করে দিবে না যা একেবারে নতুনদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তাই আপনার উচিৎ এমন কোন ভিডিও টিউটোরিয়াল অনুসরন করা যেখানে সবকিছু সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া থাকবে। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে শিখতে হলে আপনাকে একটু স্মার্ট হতে হবে। বিভিন্ন সমস্যা গুগল সার্চ করে সমাধান বের করার দক্ষতা থাকতে হবে। দ্রুত কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একটু মনযোগ এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে শুধু ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেই ফ্রিল্যান্সার/গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠা সম্ভব।
যেমন আপনি ফটোশপ শিখবেন, তাহলে গুগলে সার্চ দিন "Photoshop tutorial" "Photoshop video tutorial" দেখবেন অনেক টিউটরিয়ার আছে। সেগুলো দেখে শিখতে পারেন তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে আপনি সিলিয়াল অনুযায়ী টিউটরিয়াল পাবেন না বা কোন একটি বিষয় না বুজলে আপনাকে কেউ এটি সমাধান করে দিবে না যা একেবারে নতুনদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তাই আপনার উচিৎ এমন কোন ভিডিও টিউটোরিয়াল অনুসরন করা যেখানে সবকিছু সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া থাকবে। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে শিখতে হলে আপনাকে একটু স্মার্ট হতে হবে। বিভিন্ন সমস্যা গুগল সার্চ করে সমাধান বের করার দক্ষতা থাকতে হবে। দ্রুত কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একটু মনযোগ এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে শুধু ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেই ফ্রিল্যান্সার/গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠা সম্ভব।
যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে গ্রাফিক ডিজাইন পেশায় আসুন

গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে ক্রিয়েটিভিটি থাকে আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। গ্রাফিক ডিজাইনে আউটসোর্সিং বা প্রোডাক্ট বেইজড কাজ করতে হলে আপনাকে আন্তর্জাতিক মানের গ্রফিক এর কাজ শিখতে হবে| নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ, জানতে হবে নিত্য-নতুন কলা-কৌশল।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
গ্রাফিক ডিজাইন কি?
সহজ কথায় বলতে গেলে গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।
যা জানতে হবেঃ
গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন। অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা বিদেশি বায়ারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইংরেজি জানা একটি পূর্বশর্ত। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। ইন্টারনেট সংযোগ থাকা আবশ্যক কারন আপনি যে কোন বিষয়ে অনলাইন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রভৃতি। যদি আপনার মন হয়ে থাকে সৃজনশীল অর্থাৎ আপনার যদি আঁকাআঁকি করতে ভালো লাগে তাহলে সেটা অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট।
গ্রাফিক ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ
যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক ডিজাইনের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হল
১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন ৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকন ডিজাইন ১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
লোগো ডিজাইন:
লোগো হচ্ছে একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ড। লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন,রবি,এয়ারটেল,টেলিটক, প্রাণ কিংবা প্রথম আলো শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই চিনতে পারা যায়। মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকেই তৈরি করতে হয়। শুধু প্রতীক নয় লোগোর সাথে কালারিংও ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। লোগো যেমন লোকাল বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনেও বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।
ফ্লায়ার বা ব্রশিউর তৈরিঃ
অনেক কোম্পানিই তাদের সার্ভিসগুলো ক্রেতাদের সামনে দেখানের জন্য ফ্লায়ার বা ব্রশিউর ডিজাইন করে থাকে। এধরনের অনেক গ্রাফিক্সের কাজ এ মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়। বায়ার রা এ মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে প্রচুর ফ্লায়ার বা ব্রশিউর ডিজাইন কাজ দিয়ে থাকে।
ভিজিটিং কার্ড তৈরিঃ
ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেল করে আয় করতে পারবেন।
বিজ্ঞাপন তৈরিঃ
পন্যের প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন সবচেয়ে বড় মাধ্যম। সংক্ষিপ্ত অথচ তথ্যপূর্ণ, নান্দনিক এবং বিনোদনমূলক বিজ্ঞাপন ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি বিজ্ঞাপন সেই পন্যের প্রতি চাহিদা তৈরি করতে পারবে কিনা। বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্যও রয়েছে নানা মাধ্যম। অনলাইন, প্রিন্ট কিংবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া যেখানে প্রচারের জন্যই হোক সবরকমের দক্ষতা একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের থাকতে হবে।
এসবের মধ্যে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার। কয়েকটি বিষয় শিখতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আরো সহজ হবে।
কোথায় জব/কাজ পাবেনঃ
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
- বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
- পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- অনলাইন মার্কেটপ্লেস
- প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
- ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান
গ্রাফিক সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ

গ্রাফিক ডিজাইন প্রতিযোগীতাঃ
কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখ যোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
www.99designs.com,
www.freelancer.com/
ডিজাইন বিক্রিঃ
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
www.graphicriver.net,
www.codecanyon.net,
www.freelancer.com
বিড করে কাজ:
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com
অন্যান্যঃ উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ http://www.fiverr.com
যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ
-> অবশ্যাই ভালভাবে কাজ শেখা।
-> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
-> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
-> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
-> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
-> নিজের মার্কেটিং করা
কিভাবে গ্রাফিক ডিজাইন শিখবেন:
গ্রাফিক ডিজাইন আপনি তিনটি মাধ্যমে শিখতে পারেন। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে অথবা ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিতে পারেন।
১) ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে:
এটি গ্রাফিক ডিজাইন শেখার সবচেয়ে ভাল পদ্বতি । সবচেয়ে ভাল হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন কেউ পারে তার কাছ থেকে সরাসরি শেখা, এক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (upwork.com freelancer.com peopleperhour.com) অথবা প্রোডাক্ট মার্কেটপ্লেসে (graphicriver.net) কাজ করে এমন একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে শিখতে পারেন। এভাবে দ্রুত শিখা সম্ভব। যার কাছ থেকে শিখবেন অবশ্যই তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন, মার্কেটপ্লেসে তার প্রোফাইল দেখে নিতে পারেন। তবে এক্ষত্রে একটি ছোটখাট সমস্যা হচ্ছে নতুনরা অনেকেই জানে না কিভাবে একজন ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার খুজে পাওয়া যাবে। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনার বাসায় বসে কাজ করে ফলে তাকে খুঁজে বের করাও একটু কঠিন। তবে নিজের কাজ রেখে আপনাকে সময় দিয়ে শেখানোর মত ফ্রিল্যান্সার পাওয়া সত্যি অনেক কষ্টকর।
২) ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে:
ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকেও গ্রাফিক ডিজাইন শেখা যেতে পারে তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে ৯০% প্রতিষ্ঠানই ভাল প্রশিক্ষন দেয় না সুতরাং আপনার এখানে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে দেশে কয়েকটি ভালো প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ভালো প্রতষ্ঠিান বাছাই করতে নিচের কয়েকটি স্টেপ আপনি অনুসরন করতে পারেন -
ক. প্রতষ্ঠিানটির ওয়েবসাইট, ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস পেজে তাদের তথ্য দেখুন। একটি ভালো প্রতিষ্ঠানের অবশ্যই ইনফরমেটিভ ওয়েবসাইট থাকে।
খ. প্রতষ্ঠিানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালকদের খোজ নিন, দেখুন তারা যতাযথ আইটি সম্পর্কে এক্সপার্ট কিনা।
গ. আপনি যে বিষয় শিখবেন সে বিষয়ের প্রশিক্ষকদের সম্পর্কে খোজ নিন। তাদের মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল/ সাকসেস জানার চেষ্ঠা করূন।
ঘ. প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক জানার চেষ্ঠা করূন।
৩) ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে:
যেমন আপনি ফটোশপ শিখবেন, তাহলে গুগলে সার্চ দিন "Photoshop tutorial" "Photoshop video tutorial" দেখবেন অনেক টিউটরিয়ার আছে। সেগুলো দেখে শিখতে পারেন তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে আপনি সিলিয়াল অনুযায়ী টিউটরিয়াল পাবেন না বা কোন একটি বিষয় না বুজলে আপনাকে কেউ এটি সমাধান করে দিবে না যা একেবারে নতুনদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তাই আপনার উচিৎ এমন কোন ভিডিও টিউটোরিয়াল অনুসরন করা যেখানে সবকিছু সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া থাকবে। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে শিখতে হলে আপনাকে একটু স্মার্ট হতে হবে। বিভিন্ন সমস্যা গুগল সার্চ করে সমাধান বের করার দক্ষতা থাকতে হবে। দ্রুত কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একটু মনযোগ এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে শুধু ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেই ফ্রিল্যান্সার/গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠা সম্ভব।
যেমন আপনি ফটোশপ শিখবেন, তাহলে গুগলে সার্চ দিন "Photoshop tutorial" "Photoshop video tutorial" দেখবেন অনেক টিউটরিয়ার আছে। সেগুলো দেখে শিখতে পারেন তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে আপনি সিলিয়াল অনুযায়ী টিউটরিয়াল পাবেন না বা কোন একটি বিষয় না বুজলে আপনাকে কেউ এটি সমাধান করে দিবে না যা একেবারে নতুনদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তাই আপনার উচিৎ এমন কোন ভিডিও টিউটোরিয়াল অনুসরন করা যেখানে সবকিছু সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া থাকবে। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে শিখতে হলে আপনাকে একটু স্মার্ট হতে হবে। বিভিন্ন সমস্যা গুগল সার্চ করে সমাধান বের করার দক্ষতা থাকতে হবে। দ্রুত কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একটু মনযোগ এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে শুধু ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেই ফ্রিল্যান্সার/গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠা সম্ভব।
যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন।