Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

ফটোশপ সম্পর্কে নতুনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আপনি কি ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল আর্ট করতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনার প্রিয় রং পেনসিলগুলোকে কিছুটা বিশ্রাম দিয়ে সযত্নে রেখে দিন। কারণ, চাইলে পরে আপনি এগুলো জাদুঘরে সংরক্ষন করতে পারবেন।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
ডিজিটাল ভাবে আর্ট করতে চান? তাহলে আপনাকে ছবি এডিটিং সফটওয়্যারের সাহায্য নিতে হবে। এডোবি ক্রিয়েটিভ ক্লাউড সুইটের একটি অংশ হলো এডোবি ফটোশপ, যেটি এখন বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার ডিজাইনার তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে থাকে।
ফটোশপের বহুমুখী ব্যবহার এতো বেশি যে ফটোশপ টিউটোরিয়াল দেখে এবং ফটোশপের বিভিন্ন ব্রাশ সমূহকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার করলেও এর বিশাল ভান্ডারের সামান্য কিছুই শেখা যাবে।
ফটোশপের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন করার পর ফটোশপে আপনি চাইলে এমন কিছু টিপস শিখতে পারেন যেগুলো আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেক কম সময়ে কাঙ্ক্ষিত কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে। আর আমার আজকের এই ব্লগটি সেরকম টিপস নিয়েই।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
চলুন তাহলে ধারাবাহিকভাবে এডোবি ফটোশপ এর বেষ্ট কিছু টিপস বা কৌশল জেনে নেওয়া যাকঃ
প্যানেল নিয়ন্ত্রন করাঃ
বামে ডান দিকের কর্ণারের দিকে প্রতিটি প্যানেলে একটি ছোট্ট আইকন আছে যেটি মূলত ফ্লাই-আউট মেনু প্রদর্শন করে। আপনি এই মেনুটি লেয়ার প্যানেল থাম্বনাইল (ছোট) থেকে বড় করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন, এছাড়াও এটির সাহায্যে আর্টওয়ার্ক ক্রপিং এবং আরও অনেক কাজ করতে পারবেন।
পেস্ট ইন প্লেসঃ
এডোবি ফটোশপ পেস্ট ইন প্লেস এমন একটি ফাংশন যেটি জানা থাকলে আপনি অনেক জটিল কাজ সহজে করতে পারবেন। কিন্তু যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই টুলটি আপনার কাছে অনেক উপকারী হয়ে উঠতে পারে।
আপনার মূল ডকুমেন্টে অথবা সেকেন্ড ডকুমেন্টে কোন কিছু সিলেক্ট করার পর যদি আপনি আর্টওয়ার্ক একত্রিত করতে চান, সাধারণ ভাবেই Edit > Copy সিলেক্ট করে কপি করুন (অথবা ctrl+c শর্টকাটের মাধ্যমে)। আপনি যে ডকুমেন্টে পেস্ট করতে চান, শুধু cmd+shift+V শর্টকাট ব্যবহার করে কপি করা সকল উপাদান একদম অরিজিনাল ভাবেই নতুন ডকুমেন্টের ঠিক একই পজিশনে পেস্ট করতে পারবেন।
বার্ডস আই ভিউঃ
আপনি যদি ক্লোনিং অথবা এজ রিফাইনমেন্টের মতো ডিটেইলস কাজ করে থাকেন, বড় ছবির কিছু অংশ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যাওয়া খুব অসাধারণ একটি বিষয়।
একই ভাবে, আপনি যদি উচ্চ জুম লেভেলের উপর কাজ করেন, ডকুমেন্টের চারদিকে নেভিগেশন করাটা কষ্টকর একটা ব্যাপার।
এই সমস্যা সমাধানে বার্ডস আই ভিউ সুবিধাটি আপনাকে সাহায্য করবে।। যদি আপনি জুম করা অবস্থায় থাকেন, তখন আপনি কিবোর্ডের H বাটনটি চেপে ধরে রাখতে পারেন, এবং মাউসে ক্লিক এবং ড্রাগ করে অস্থায়ী ভাবে বার্ডস আই ভিউতে আপনার ডোকুমেনটিকে জুম আউট করা অবস্থায় দেখতে পাবেন। আর যখন ছেড়ে দিবেন, ডকুমেন্টটি পুনরায় আগের অবস্থানে চলে যাবে।
ইন্টারেক্টিভলি স্টাইল সমূহ সেট করুনঃ
যখন আপনি একটি ড্রপ-শ্যাডো লেয়ার এড করবেন, ডায়লগ বক্সটিকে এক পাশে সরিয়ে রাখুন। ক্যানভাসে ক্লিক এবং ড্রাগ করার মাধ্যমে আপনি মাউস দিয়েই একই ভাবে শ্যাডোকে নাড়িয়ে লেয়ারে সামঞ্জস্যপূর্ণ শ্যাডো দিতে পারবেন।
ট্রান্সফর্মেশনঃ
Edit> Transform ব্যবহার করে একবার একটি লেয়ার বা অবজেক্টকে ট্রান্সফর্মেশন করার পর আপনি অন্য একটি লেয়ার বা অবজেক্টে খুব দ্রুত পুনরায় ট্রান্সফর্মেশন করতে পারবেন। শুধু cmd+Shift+T প্রেস করুন, তাহলে ফটোশপ সেই একই ট্রান্সফর্মেশন আপনার বর্তমান একটিভ লেয়ারে পুনরায় বসিয়ে দিবে।
লেয়ারকে আলাদা করাঃ
আপনি alt চেপে লেয়ার প্যানেলের আই আইকন চেপে একটি লেয়ারের নিজস্ব অবস্থা দেখতে পারেন। পুনরায় alt+আই আইকন চাপলে আগের অবস্থানে ফিরে যাবে। মনে রাখবেন ভুল করে যদি আপনি অন্য লেয়ারের আই আইকনে ক্লিক করে ফেলেন তাহলে পূর্বের অবস্থানে আর এভাবে যেতে পারবেন না।
লেয়ার দৃশ্যমান করার ইতিহাস চালু করুনঃ আপনি যদি আলাদাভাবে লেয়ার প্রিভিউ করার সময় লেয়ার ভিজিবিলিটি সেটিংস হারিয়ে ফেলতে না চান, তাহলে হিস্টোরি প্যানেল সেটিংস অপশনটি টিক দিয়ে রাখলেই ভিজিবিলিটি ডায়লগ বক্সটি সবসময় দৃশ্যমান হয়ে থাকবে।
একবার চেক দেওয়ার পর, cmd+alt+Z চাপলেই আপনার হিস্টোরি আগের অবস্থায় চলে যাবে। কিন্তু এরপর থেকে ভিজিবিলিটি লেয়ার চেঞ্জ করার অপশনটি সবসময় হিস্টোরি প্যানেলে দেখতে পাবেন।
মেগা ভেক্টর শেপঃ
ক্রিয়েটিভ ক্লাউড ব্যবহারকারীরা চাইলে দুইটি ভেক্টর শেপ এক সঙ্গে মার্জ করার পর মার্জ ফাইলটি এডিট যোগ্য ফাইল হিসাবেই রাখতে পারেন। এর জন্য শুধু দুইটি শেপ লেয়ার সিলেক্ট করুন এবং cmd+E প্রেস করেই তাদেরকে একত্রে মার্জ করে ফেলুন।
এডিটিং টেক্সট দ্রুত শেষ করুনঃ
ফটোশপে টেক্সট বক্স নিয়ে কাজ করার সময় টুল সমূহ মুভি করার বিষয়টি বিরক্তিকর হতে পারে কারণ তখন শর্টকাট কি গুলো কাজ করে না। একটি চমৎকার ছোট্ট টিপস, কীবোর্ডের cmd+Return প্রেস করে টেক্সট এডিটিং শেষ করে ফেলতে পারবেন এবং টেক্সট ফিল্ডের বাইরে সবকিছু মুভ করতে পারবেন। এই কাজটি করলে আপনি আগের মতই শর্টকাট ব্যবহার করে অন্যান্য টুল ব্যবহার করতে পারবেন।
সঠিক ভাবে ফাইল অর্গানাইজ করুনঃ
যে উপায়ে আপনি ফাইলের নামকরণ এবং অর্গানাইজ করেন সেটা খুব সহজেই গোলমেলে মনে হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার কাজ কারও নিকট হস্তগত করেন, তাহলে বিষয়টি ভাল নাও হতে পারে।
লোকজন যদি আপনার কাজ বুঝতে না পারে তবে সেটা আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন করবে। আমাদের দেখানো নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার ফাইল সমূহ সঠিক ভাবে অর্গানাইজ করুন।
ব্রাশ টুলের সাহায্যে ডটেড লাইন ড্র করুনঃ
ফটোশপের একটি কমন টেকনিক হলো ব্রাশ টুলের সাহায্যে স্ট্রেইট লাইন ড্র করা। ব্রাশ টুল সিলেক্ট করে, কোন প্লেসের একটি পয়েন্টে ক্লিক করুন, তারপর Shift চেপে দ্বিতীয় পয়েন্টে ক্লিক করে দুই পয়েন্টের মাঝে স্ট্রেইট লাইন ড্রয়িং করে ফেলুন। আপনি হয়ত নাও জানতে পারেন যে ব্রাশ প্যানেল ওপেন করে ব্রাশ স্পেসিং ১৫০%+ করে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি সলিড লাইন করার পরিবর্তে ডটেড লাইন ড্র করতে পারেন।
ব্রাশ সাইজ এবং এর হার্ডনেস পরিবর্তন করুনঃ
এটা ভাল ভাবেই জানে যে স্কয়ার ব্র্যাকেট কী [ এবং ] চেপে ফটোশপের ভিতরে ব্রাশ সাইজ পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু এটা হয়ত জানে না যে আপনি যদি Shift চেপে ধরে এই বাটন গুলি চাপেন তাহলে ব্রাশ প্যানেলে না গিয়েই হার্ডনেস কমাতে বাড়াতে পারবেন।
ডায়লগ বক্স রিসেট করুনঃ
যখন আপনি এক জোড়া বাটন নিয়র ডায়লগ বক্স ব্যবহার করেন যেটি ওকে/এপ্লাই এবং ক্যান্সেল করা বুঝতে পারে, এই ক্ষেত্রে বিষয়টি বিরক্তিকর হয়ে যাবে যখন আপনি আপনার কাজে আনডো করতে যাবেন। প্রায়ই আপনি ক্যান্সেল এবং ডায়লগটি রি-ওপেন করতে চাইবেন।
এর অনেক মডেলের পপ-আপস আপনাকে কিবোর্ডের কী অল্টার চাপার মাধ্যমে ক্যান্সেল বাটনকে রিসেট বাটনে পরিবর্তন করার সুযোগ দিবে। সেটিংস রিটার্নিং করে দিলে ডায়লগ ওপেন করার সময় যেমন ছিল সেরকম হয়ে যাবে।
আশা করি ব্লগটি থেকে ফটোশপ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারলেন। আপনি চাইলে আমাদের এ রকম আরও হেল্পফুল ব্লগ পড়ার জন্য ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সাথে থাকার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

ফটোশপ সম্পর্কে নতুনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আপনি কি ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল আর্ট করতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনার প্রিয় রং পেনসিলগুলোকে কিছুটা বিশ্রাম দিয়ে সযত্নে রেখে দিন। কারণ, চাইলে পরে আপনি এগুলো জাদুঘরে সংরক্ষন করতে পারবেন।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
ডিজিটাল ভাবে আর্ট করতে চান? তাহলে আপনাকে ছবি এডিটিং সফটওয়্যারের সাহায্য নিতে হবে। এডোবি ক্রিয়েটিভ ক্লাউড সুইটের একটি অংশ হলো এডোবি ফটোশপ, যেটি এখন বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার ডিজাইনার তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে থাকে।
ফটোশপের বহুমুখী ব্যবহার এতো বেশি যে ফটোশপ টিউটোরিয়াল দেখে এবং ফটোশপের বিভিন্ন ব্রাশ সমূহকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার করলেও এর বিশাল ভান্ডারের সামান্য কিছুই শেখা যাবে।
ফটোশপের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন করার পর ফটোশপে আপনি চাইলে এমন কিছু টিপস শিখতে পারেন যেগুলো আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেক কম সময়ে কাঙ্ক্ষিত কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে। আর আমার আজকের এই ব্লগটি সেরকম টিপস নিয়েই।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
চলুন তাহলে ধারাবাহিকভাবে এডোবি ফটোশপ এর বেষ্ট কিছু টিপস বা কৌশল জেনে নেওয়া যাকঃ
প্যানেল নিয়ন্ত্রন করাঃ
বামে ডান দিকের কর্ণারের দিকে প্রতিটি প্যানেলে একটি ছোট্ট আইকন আছে যেটি মূলত ফ্লাই-আউট মেনু প্রদর্শন করে। আপনি এই মেনুটি লেয়ার প্যানেল থাম্বনাইল (ছোট) থেকে বড় করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন, এছাড়াও এটির সাহায্যে আর্টওয়ার্ক ক্রপিং এবং আরও অনেক কাজ করতে পারবেন।
পেস্ট ইন প্লেসঃ
এডোবি ফটোশপ পেস্ট ইন প্লেস এমন একটি ফাংশন যেটি জানা থাকলে আপনি অনেক জটিল কাজ সহজে করতে পারবেন। কিন্তু যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই টুলটি আপনার কাছে অনেক উপকারী হয়ে উঠতে পারে।
আপনার মূল ডকুমেন্টে অথবা সেকেন্ড ডকুমেন্টে কোন কিছু সিলেক্ট করার পর যদি আপনি আর্টওয়ার্ক একত্রিত করতে চান, সাধারণ ভাবেই Edit > Copy সিলেক্ট করে কপি করুন (অথবা ctrl+c শর্টকাটের মাধ্যমে)। আপনি যে ডকুমেন্টে পেস্ট করতে চান, শুধু cmd+shift+V শর্টকাট ব্যবহার করে কপি করা সকল উপাদান একদম অরিজিনাল ভাবেই নতুন ডকুমেন্টের ঠিক একই পজিশনে পেস্ট করতে পারবেন।
বার্ডস আই ভিউঃ
আপনি যদি ক্লোনিং অথবা এজ রিফাইনমেন্টের মতো ডিটেইলস কাজ করে থাকেন, বড় ছবির কিছু অংশ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যাওয়া খুব অসাধারণ একটি বিষয়।
একই ভাবে, আপনি যদি উচ্চ জুম লেভেলের উপর কাজ করেন, ডকুমেন্টের চারদিকে নেভিগেশন করাটা কষ্টকর একটা ব্যাপার।
এই সমস্যা সমাধানে বার্ডস আই ভিউ সুবিধাটি আপনাকে সাহায্য করবে।। যদি আপনি জুম করা অবস্থায় থাকেন, তখন আপনি কিবোর্ডের H বাটনটি চেপে ধরে রাখতে পারেন, এবং মাউসে ক্লিক এবং ড্রাগ করে অস্থায়ী ভাবে বার্ডস আই ভিউতে আপনার ডোকুমেনটিকে জুম আউট করা অবস্থায় দেখতে পাবেন। আর যখন ছেড়ে দিবেন, ডকুমেন্টটি পুনরায় আগের অবস্থানে চলে যাবে।
ইন্টারেক্টিভলি স্টাইল সমূহ সেট করুনঃ
যখন আপনি একটি ড্রপ-শ্যাডো লেয়ার এড করবেন, ডায়লগ বক্সটিকে এক পাশে সরিয়ে রাখুন। ক্যানভাসে ক্লিক এবং ড্রাগ করার মাধ্যমে আপনি মাউস দিয়েই একই ভাবে শ্যাডোকে নাড়িয়ে লেয়ারে সামঞ্জস্যপূর্ণ শ্যাডো দিতে পারবেন।
ট্রান্সফর্মেশনঃ
Edit> Transform ব্যবহার করে একবার একটি লেয়ার বা অবজেক্টকে ট্রান্সফর্মেশন করার পর আপনি অন্য একটি লেয়ার বা অবজেক্টে খুব দ্রুত পুনরায় ট্রান্সফর্মেশন করতে পারবেন। শুধু cmd+Shift+T প্রেস করুন, তাহলে ফটোশপ সেই একই ট্রান্সফর্মেশন আপনার বর্তমান একটিভ লেয়ারে পুনরায় বসিয়ে দিবে।
লেয়ারকে আলাদা করাঃ
আপনি alt চেপে লেয়ার প্যানেলের আই আইকন চেপে একটি লেয়ারের নিজস্ব অবস্থা দেখতে পারেন। পুনরায় alt+আই আইকন চাপলে আগের অবস্থানে ফিরে যাবে। মনে রাখবেন ভুল করে যদি আপনি অন্য লেয়ারের আই আইকনে ক্লিক করে ফেলেন তাহলে পূর্বের অবস্থানে আর এভাবে যেতে পারবেন না।
লেয়ার দৃশ্যমান করার ইতিহাস চালু করুনঃ আপনি যদি আলাদাভাবে লেয়ার প্রিভিউ করার সময় লেয়ার ভিজিবিলিটি সেটিংস হারিয়ে ফেলতে না চান, তাহলে হিস্টোরি প্যানেল সেটিংস অপশনটি টিক দিয়ে রাখলেই ভিজিবিলিটি ডায়লগ বক্সটি সবসময় দৃশ্যমান হয়ে থাকবে।
একবার চেক দেওয়ার পর, cmd+alt+Z চাপলেই আপনার হিস্টোরি আগের অবস্থায় চলে যাবে। কিন্তু এরপর থেকে ভিজিবিলিটি লেয়ার চেঞ্জ করার অপশনটি সবসময় হিস্টোরি প্যানেলে দেখতে পাবেন।
মেগা ভেক্টর শেপঃ
ক্রিয়েটিভ ক্লাউড ব্যবহারকারীরা চাইলে দুইটি ভেক্টর শেপ এক সঙ্গে মার্জ করার পর মার্জ ফাইলটি এডিট যোগ্য ফাইল হিসাবেই রাখতে পারেন। এর জন্য শুধু দুইটি শেপ লেয়ার সিলেক্ট করুন এবং cmd+E প্রেস করেই তাদেরকে একত্রে মার্জ করে ফেলুন।
এডিটিং টেক্সট দ্রুত শেষ করুনঃ
ফটোশপে টেক্সট বক্স নিয়ে কাজ করার সময় টুল সমূহ মুভি করার বিষয়টি বিরক্তিকর হতে পারে কারণ তখন শর্টকাট কি গুলো কাজ করে না। একটি চমৎকার ছোট্ট টিপস, কীবোর্ডের cmd+Return প্রেস করে টেক্সট এডিটিং শেষ করে ফেলতে পারবেন এবং টেক্সট ফিল্ডের বাইরে সবকিছু মুভ করতে পারবেন। এই কাজটি করলে আপনি আগের মতই শর্টকাট ব্যবহার করে অন্যান্য টুল ব্যবহার করতে পারবেন।
সঠিক ভাবে ফাইল অর্গানাইজ করুনঃ
যে উপায়ে আপনি ফাইলের নামকরণ এবং অর্গানাইজ করেন সেটা খুব সহজেই গোলমেলে মনে হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার কাজ কারও নিকট হস্তগত করেন, তাহলে বিষয়টি ভাল নাও হতে পারে।
লোকজন যদি আপনার কাজ বুঝতে না পারে তবে সেটা আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন করবে। আমাদের দেখানো নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার ফাইল সমূহ সঠিক ভাবে অর্গানাইজ করুন।
ব্রাশ টুলের সাহায্যে ডটেড লাইন ড্র করুনঃ
ফটোশপের একটি কমন টেকনিক হলো ব্রাশ টুলের সাহায্যে স্ট্রেইট লাইন ড্র করা। ব্রাশ টুল সিলেক্ট করে, কোন প্লেসের একটি পয়েন্টে ক্লিক করুন, তারপর Shift চেপে দ্বিতীয় পয়েন্টে ক্লিক করে দুই পয়েন্টের মাঝে স্ট্রেইট লাইন ড্রয়িং করে ফেলুন। আপনি হয়ত নাও জানতে পারেন যে ব্রাশ প্যানেল ওপেন করে ব্রাশ স্পেসিং ১৫০%+ করে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি সলিড লাইন করার পরিবর্তে ডটেড লাইন ড্র করতে পারেন।
ব্রাশ সাইজ এবং এর হার্ডনেস পরিবর্তন করুনঃ
এটা ভাল ভাবেই জানে যে স্কয়ার ব্র্যাকেট কী [ এবং ] চেপে ফটোশপের ভিতরে ব্রাশ সাইজ পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু এটা হয়ত জানে না যে আপনি যদি Shift চেপে ধরে এই বাটন গুলি চাপেন তাহলে ব্রাশ প্যানেলে না গিয়েই হার্ডনেস কমাতে বাড়াতে পারবেন।
ডায়লগ বক্স রিসেট করুনঃ
যখন আপনি এক জোড়া বাটন নিয়র ডায়লগ বক্স ব্যবহার করেন যেটি ওকে/এপ্লাই এবং ক্যান্সেল করা বুঝতে পারে, এই ক্ষেত্রে বিষয়টি বিরক্তিকর হয়ে যাবে যখন আপনি আপনার কাজে আনডো করতে যাবেন। প্রায়ই আপনি ক্যান্সেল এবং ডায়লগটি রি-ওপেন করতে চাইবেন।
এর অনেক মডেলের পপ-আপস আপনাকে কিবোর্ডের কী অল্টার চাপার মাধ্যমে ক্যান্সেল বাটনকে রিসেট বাটনে পরিবর্তন করার সুযোগ দিবে। সেটিংস রিটার্নিং করে দিলে ডায়লগ ওপেন করার সময় যেমন ছিল সেরকম হয়ে যাবে।
আশা করি ব্লগটি থেকে ফটোশপ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারলেন। আপনি চাইলে আমাদের এ রকম আরও হেল্পফুল ব্লগ পড়ার জন্য ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সাথে থাকার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম।

আপনার মতামত লিখুনঃ