Limited-Time Discount | Enroll today and learn risk-free with our 30-day money-back guarantee.

Login

SIGN UP for FREE

ORDER NOW

Login
thumbnail

কোনটি গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো ডেস্কটপ না ল্যাপটপ?

গ্রাফিক ডিজাইনের শেকড় অনেক প্রাচীন হলেও ব্রিটেইন এ ১৯ শতকের শেষের দিকে ফাইন আর্ট থেকে আলাদা হয়ে গ্রাফিক ডিজাইন স্বতন্ত্র ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর প্রিন্ট মিডিয়ার হাত ধরে আক্ষরিক ভাবে গ্রাফিক ডিজাইন এর পথ চলা শুরু আমেরিকান বই ডিজাইনার উইলিয়াম এডিসন ডুইজ্ঞিন্স এর হাত ধরে ১৯২২ সালের গোঁড়ার দিকে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে গ্রাফিক ডিজাইনের যাত্রা মোটামুটি ভাবে বলা যায় ১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে শুরু হয়। তখন আমাদের দেশের বিভিন্ন কোম্পানিগুলো কাজ করাতো প্রিন্ট মিডিয়া বা প্রেসগুলোর কাছ থেকে।
এখন আশার কথা হচ্ছে, গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টর শুধু চাকরির উপর নির্ভর করে নয়, ফ্রিল্যান্সিং/ আউটসোর্সিং করেও প্রতি মাসে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমানে বিভিন্ন সেক্টরেই গ্রাফিক ডিজাইনের ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। বর্তমানে যারা গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেন বা করতে চান তাদের একটি কমন প্রশ্ন হচ্ছে
“গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ভালো কম্পিউটার কনফিগারেশন কি? ল্যাপটপ না ডেস্কটপ?” গ্রাফিক ডিজাইন করতে গেলে বেস্ট হচ্ছে Apple MacBook, MacBook Pro, iMac ব্যবহার করা। যেহেতু অনেকেই উচ্চ বাজেটের জন্য Mac কিনতে আগ্রহী হন না তাই আপনি নিচের কনফিগারেশনের Windows কম্পিউটার কিনতে পারেন। তাহলে চলুন আলোচনা করি কোন কোন কনফিগারেশনের কম্পিউটার গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ভালো হবেঃ
কনফিগারেশনঃ
  • Motherboard: Gigabyte
  • Processor: Intel core i5 / Intel core i7
  • Ram: Minimum 8GB for better performance
  • SSD Hard Disk at least 128GB
  • Monitor: Dell/HP/Asus
  • Keyboard: A4 Tech
  • Mouse: a47tech
বুঝতে পেরেছেন? হয়তো সমস্যা হয়েছে। তাহলে আসুন আমরা কম্পিউটারের কনফিগারেশন সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে আসি।
মাদারবোর্ডঃ অনেক কোম্পানির মাদারবোর্ড রয়েছে তবে এর মধ্যে গিগাবাইট এর মাদারবোর্ড অপেক্ষাকৃত ভালো। গিগাবাইটের ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকার মাদারবোর্ড রয়েছে। তবে আপনি যেহেতু 2D গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করবেন, তাই সাধারণত ৭০০০ থেকে ১৫০০০ এর মাদারবোর্ড নিতে পারেন 3D গ্রাফিক এনিমেশনের কাজ করলে আপনার চাহিদা অনুযায়ী আরও দামী মাদারবোর্ড নিতে পারেন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
প্রসেসরঃ সাধারণত বাংলাদেশে মানুষজন Intel অথবা AMD প্রসেসর ব্যাবহার করে। এর মধ্যে Intel ভালো, আপনি Intel core i5 / Intel core i7 প্রসেসর ব্যাবহার ভালো হবে। প্রসেসর কেনার ক্ষেত্রে Processor Generation & GHz দেখে নিবেন। যখন পিসি কিনবেন তখনকার সময়ের Generation বা তার কাছাকাছি জেনারেশন এর প্রসেসর কিনবেন। যেমন বর্তমানে 9th Generation এর প্রসেসর পাওয়া যায়।
র‌্যামঃ বাজারে অনেক কোম্পানির র‌্যাম পাওয়া যায় আপনি Twinmos / Apacer / A Data কোম্পানির DDR4 ভার্সনের ৮ জিবি র‍্যাম নিতে পারেন।
হার্ডডিস্কঃ 1TB Hard disk নিতে পারেন। আপনি হার্ডডিস্ক যতই নেন না কেন C ড্রাইভের জন্য মিনিমাম ১২০/১২৮ GB SSD হার্ডডিস্ক নিবেন, কম্পিউটার কয়েক গুন বেশী দ্রতগতীসম্পন্ন হবে।
মনিটরঃ মনিটর 22″ হলে ভালো হবে। Asus/Dell/HP/ ব্রান্ড মনিটর নিলে ভালো হবে। বর্তমানের বেশিরভাগ গ্রাফিক ডিজাইনাররা Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim Monitor ব্যবহার করে। এটি ১১,৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। অথবা আপনি Dell E2316H 23 মনিটর ব্যবহার করতে পারেন।
কিবোর্ড/মাউসঃ লং টাইম ব্যাবহারের জন্য A4 Tech কিবোর্ড মাউস ভালো হবে।
জানতে পারলেন কোন কোন হার্ডওয়ার কেমন। এখন আমরা দেখি উপরের যে হার্ডওয়ারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর মুল্য কেমনঃ
1. Gigabyte H310M S2 DDR4 8th Gen Intel LGA1151 Socket Mainboard – 6,300 BDT
2. Intel Kaby Lake Core i5 7400 3.00-3.50GHz 6MB Cache LGA1151 7th Gen.Processor – 16,000 BDT
3. A-DATA 8GB DDR4 2400 BUS Desktop RAM – 4100 BDT
4. Hard Disk – Toshiba DT01ACA100 1TB SATA 7200RPM 3.5 Inch HDD – 3,600 BDT, Transcend 120GB 2.5 Inch SATAIII SSD – 2300 BDT
5. Monitor – Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim – 11,300 BDT
6. Keyboard: A4 Tech – 480 BDT
7. Mouse: A47tech – 250 BDT
8. Casing – 2000
Total Price– 6300 + 16000 + 4100 + 3600+ 2300 + 11300 + 480 + 250 + 2000 = 46,330
এ কনফিগারেশনের কম্পিউটার আসলে অনেক দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়।
এখন গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করার জন্য আপনি ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ ব্যবহার করবেন সেইটা নিয়ে কথা বলবো। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করিঃ
ল্যাপটপ না ডেস্কটপঃ অনেকেই বলেন গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ডেস্কটপ ভালো, আসলে এমন কোন কথা নেই যে ডেস্কটপ গ্রাফিক ডিজাইনের ভালো ল্যাপটপ ভালো না। বর্তমানে আসলে কম বাজেটের মধ্যে অনেক ভালো কনফিগারেশনের ডেস্কটপ পাওয়া যায়। সেজন্য আমরা অনেকেই বলে থাকি ল্যাপটপের থেকে ডেস্কটপই ভালো। যেমন একটি ভালো মানের ডেস্কটপ ৪০-৫০ হাজার টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব কিন্তু আপনি যদি একই রকম কনফিগারেশন ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে আপনাকে প্রায় ১ লাখ টাকার মতো খরচ হবে। তাই আমরা এই মানের ল্যাপটপ না কিনে ডেস্কটপ কিনে বলি গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ল্যাপটপের চাইতে ডেস্কটপই ভালো।
তবে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ দুটোরই অনেক পজিটিভ নেগেটিভ দিক রয়েছে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করতে চাইলে ৬০ হাজার ৮০ হাজার বা এক লাখের মধ্যে ল্যাপটপ কেনেন অথবা বাজেট ৫০ হাজারের নিচে হলে ডেস্কটপ কেনেন। কেননা, আপনি এই ডেস্কটপ দিয়ে ১ লাখ টাকার ল্যাপটপ এর স্পিড পাবেন। অনেক ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনাররা MacBook Pro ব্যাবহার করেন। এটিও একটি ল্যাপটপ কিন্তু সাধারণ ডেস্কটপের থেকে এটি বেশি ভালো পারফরম্যান্স দেয়। এ থেকে আপনি বুঝতে পারলেন কম্পিউটারের আসল বিষয় হচ্ছে কনফিগারেশন।
মিনিমাম কি কনফিগারেশন হলে গ্রাফিক ডিজাইন শেখা শুরু করা যায়ঃ Core I 3 Processor + 4GB Ram + 500GB Hard Disk + 14 inch monitor এর পিসি দিয়েই আপনি শুরু করতে পারবেন। কিন্তু এর বেশি স্পিড চাইলে আপনাকে উপরের কনফিগারেশনের পিসি ব্যবহার করতে হবে। মূলত যারা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনে কাজ করেন, ওয়েব টেমপ্লেট, মোবাইল UI নিয়ে কাজ করেন তাদের দ্রুতগতিতে কাজ করার প্রয়োজন হয় এবং তারা সবচেয়ে ভালো কনফিগারেশন কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন।
আশা করি আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ ব্যবহার করা নিয়ে কনফিউশনটা দূর হয়েছে। আমারদের এরকম আরও হেল্পফুল ব্লগ পড়তে চাইলে ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট ফলো করুন।

|| Design by Mamunur Rashid ||

Payment
গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন আউটসোর্সিং এম এস অফিস কম্পিউটার টিপস ফটো এডিটিং
thumbnail

কোনটি গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো ডেস্কটপ না ল্যাপটপ?

গ্রাফিক ডিজাইনের শেকড় অনেক প্রাচীন হলেও ব্রিটেইন এ ১৯ শতকের শেষের দিকে ফাইন আর্ট থেকে আলাদা হয়ে গ্রাফিক ডিজাইন স্বতন্ত্র ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর প্রিন্ট মিডিয়ার হাত ধরে আক্ষরিক ভাবে গ্রাফিক ডিজাইন এর পথ চলা শুরু আমেরিকান বই ডিজাইনার উইলিয়াম এডিসন ডুইজ্ঞিন্স এর হাত ধরে ১৯২২ সালের গোঁড়ার দিকে।
ঘরে বসে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ুন

ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ভিডিও টিউটোরিয়াল কোর্স করুন

বিভিন্ন বিষয় শিখতে এখন আর ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভিডিও টিউটোরিয়াল নিয়ে ঘরে বসেই শিখুন বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল মানের কাজ।

বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশে গ্রাফিক ডিজাইনের যাত্রা মোটামুটি ভাবে বলা যায় ১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে শুরু হয়। তখন আমাদের দেশের বিভিন্ন কোম্পানিগুলো কাজ করাতো প্রিন্ট মিডিয়া বা প্রেসগুলোর কাছ থেকে।
এখন আশার কথা হচ্ছে, গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টর শুধু চাকরির উপর নির্ভর করে নয়, ফ্রিল্যান্সিং/ আউটসোর্সিং করেও প্রতি মাসে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমানে বিভিন্ন সেক্টরেই গ্রাফিক ডিজাইনের ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। বর্তমানে যারা গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেন বা করতে চান তাদের একটি কমন প্রশ্ন হচ্ছে
“গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ভালো কম্পিউটার কনফিগারেশন কি? ল্যাপটপ না ডেস্কটপ?” গ্রাফিক ডিজাইন করতে গেলে বেস্ট হচ্ছে Apple MacBook, MacBook Pro, iMac ব্যবহার করা। যেহেতু অনেকেই উচ্চ বাজেটের জন্য Mac কিনতে আগ্রহী হন না তাই আপনি নিচের কনফিগারেশনের Windows কম্পিউটার কিনতে পারেন। তাহলে চলুন আলোচনা করি কোন কোন কনফিগারেশনের কম্পিউটার গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ভালো হবেঃ
কনফিগারেশনঃ
  • Motherboard: Gigabyte
  • Processor: Intel core i5 / Intel core i7
  • Ram: Minimum 8GB for better performance
  • SSD Hard Disk at least 128GB
  • Monitor: Dell/HP/Asus
  • Keyboard: A4 Tech
  • Mouse: a47tech
বুঝতে পেরেছেন? হয়তো সমস্যা হয়েছে। তাহলে আসুন আমরা কম্পিউটারের কনফিগারেশন সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে আসি।
মাদারবোর্ডঃ অনেক কোম্পানির মাদারবোর্ড রয়েছে তবে এর মধ্যে গিগাবাইট এর মাদারবোর্ড অপেক্ষাকৃত ভালো। গিগাবাইটের ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকার মাদারবোর্ড রয়েছে। তবে আপনি যেহেতু 2D গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করবেন, তাই সাধারণত ৭০০০ থেকে ১৫০০০ এর মাদারবোর্ড নিতে পারেন 3D গ্রাফিক এনিমেশনের কাজ করলে আপনার চাহিদা অনুযায়ী আরও দামী মাদারবোর্ড নিতে পারেন।

গ্রাফিক ডিজাইন শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ভিডিও টি দেখুন

আরও ভিডিও
বিজ্ঞাপন
প্রসেসরঃ সাধারণত বাংলাদেশে মানুষজন Intel অথবা AMD প্রসেসর ব্যাবহার করে। এর মধ্যে Intel ভালো, আপনি Intel core i5 / Intel core i7 প্রসেসর ব্যাবহার ভালো হবে। প্রসেসর কেনার ক্ষেত্রে Processor Generation & GHz দেখে নিবেন। যখন পিসি কিনবেন তখনকার সময়ের Generation বা তার কাছাকাছি জেনারেশন এর প্রসেসর কিনবেন। যেমন বর্তমানে 9th Generation এর প্রসেসর পাওয়া যায়।
র‌্যামঃ বাজারে অনেক কোম্পানির র‌্যাম পাওয়া যায় আপনি Twinmos / Apacer / A Data কোম্পানির DDR4 ভার্সনের ৮ জিবি র‍্যাম নিতে পারেন।
হার্ডডিস্কঃ 1TB Hard disk নিতে পারেন। আপনি হার্ডডিস্ক যতই নেন না কেন C ড্রাইভের জন্য মিনিমাম ১২০/১২৮ GB SSD হার্ডডিস্ক নিবেন, কম্পিউটার কয়েক গুন বেশী দ্রতগতীসম্পন্ন হবে।
মনিটরঃ মনিটর 22″ হলে ভালো হবে। Asus/Dell/HP/ ব্রান্ড মনিটর নিলে ভালো হবে। বর্তমানের বেশিরভাগ গ্রাফিক ডিজাইনাররা Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim Monitor ব্যবহার করে। এটি ১১,৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। অথবা আপনি Dell E2316H 23 মনিটর ব্যবহার করতে পারেন।
কিবোর্ড/মাউসঃ লং টাইম ব্যাবহারের জন্য A4 Tech কিবোর্ড মাউস ভালো হবে।
জানতে পারলেন কোন কোন হার্ডওয়ার কেমন। এখন আমরা দেখি উপরের যে হার্ডওয়ারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর মুল্য কেমনঃ
1. Gigabyte H310M S2 DDR4 8th Gen Intel LGA1151 Socket Mainboard – 6,300 BDT
2. Intel Kaby Lake Core i5 7400 3.00-3.50GHz 6MB Cache LGA1151 7th Gen.Processor – 16,000 BDT
3. A-DATA 8GB DDR4 2400 BUS Desktop RAM – 4100 BDT
4. Hard Disk – Toshiba DT01ACA100 1TB SATA 7200RPM 3.5 Inch HDD – 3,600 BDT, Transcend 120GB 2.5 Inch SATAIII SSD – 2300 BDT
5. Monitor – Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim – 11,300 BDT
6. Keyboard: A4 Tech – 480 BDT
7. Mouse: A47tech – 250 BDT
8. Casing – 2000
Total Price– 6300 + 16000 + 4100 + 3600+ 2300 + 11300 + 480 + 250 + 2000 = 46,330
এ কনফিগারেশনের কম্পিউটার আসলে অনেক দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়।
এখন গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করার জন্য আপনি ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ ব্যবহার করবেন সেইটা নিয়ে কথা বলবো। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করিঃ
ল্যাপটপ না ডেস্কটপঃ অনেকেই বলেন গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ডেস্কটপ ভালো, আসলে এমন কোন কথা নেই যে ডেস্কটপ গ্রাফিক ডিজাইনের ভালো ল্যাপটপ ভালো না। বর্তমানে আসলে কম বাজেটের মধ্যে অনেক ভালো কনফিগারেশনের ডেস্কটপ পাওয়া যায়। সেজন্য আমরা অনেকেই বলে থাকি ল্যাপটপের থেকে ডেস্কটপই ভালো। যেমন একটি ভালো মানের ডেস্কটপ ৪০-৫০ হাজার টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব কিন্তু আপনি যদি একই রকম কনফিগারেশন ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে আপনাকে প্রায় ১ লাখ টাকার মতো খরচ হবে। তাই আমরা এই মানের ল্যাপটপ না কিনে ডেস্কটপ কিনে বলি গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ল্যাপটপের চাইতে ডেস্কটপই ভালো।
তবে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ দুটোরই অনেক পজিটিভ নেগেটিভ দিক রয়েছে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করতে চাইলে ৬০ হাজার ৮০ হাজার বা এক লাখের মধ্যে ল্যাপটপ কেনেন অথবা বাজেট ৫০ হাজারের নিচে হলে ডেস্কটপ কেনেন। কেননা, আপনি এই ডেস্কটপ দিয়ে ১ লাখ টাকার ল্যাপটপ এর স্পিড পাবেন। অনেক ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনাররা MacBook Pro ব্যাবহার করেন। এটিও একটি ল্যাপটপ কিন্তু সাধারণ ডেস্কটপের থেকে এটি বেশি ভালো পারফরম্যান্স দেয়। এ থেকে আপনি বুঝতে পারলেন কম্পিউটারের আসল বিষয় হচ্ছে কনফিগারেশন।
মিনিমাম কি কনফিগারেশন হলে গ্রাফিক ডিজাইন শেখা শুরু করা যায়ঃ Core I 3 Processor + 4GB Ram + 500GB Hard Disk + 14 inch monitor এর পিসি দিয়েই আপনি শুরু করতে পারবেন। কিন্তু এর বেশি স্পিড চাইলে আপনাকে উপরের কনফিগারেশনের পিসি ব্যবহার করতে হবে। মূলত যারা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনে কাজ করেন, ওয়েব টেমপ্লেট, মোবাইল UI নিয়ে কাজ করেন তাদের দ্রুতগতিতে কাজ করার প্রয়োজন হয় এবং তারা সবচেয়ে ভালো কনফিগারেশন কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন।
আশা করি আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ ব্যবহার করা নিয়ে কনফিউশনটা দূর হয়েছে। আমারদের এরকম আরও হেল্পফুল ব্লগ পড়তে চাইলে ই-লার্ন বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট ফলো করুন।

আপনার মতামত লিখুনঃ